দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচ হেরেছিল আফগানিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচ হারলেন রশিদ খানরা। পরপর দুই ম্যাচ হেরে এশিয়া কাপ থেকে কার্যত বিদায় হয়ে গেল আফগানদের।
রবিবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ১৮ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় তারা। তারপর লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু সাত রানের ব্যবধানে পরপর লিটন দাস, শাকিব-আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে তোলেন মেহমুদুল্লাহ ও নতুন খেলতে নামা ইমরুল কায়েশ। ইমরুল ৭২ ও মেহমুদুল্লাহ ৭৪ রানের ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে সাত উইকেটে ২৪৯ রান পৌঁছে দেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি আফগানিস্তানেরও। কিন্তু মহম্মদ শাহজাদ ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদি পার্টনারশিপ গড়েন। শাহজাদ ৫৩ ও শাহিদি ৭১ করে আউট হন। আফগান অধিনায়ক আসগার আফগান ৩৯, মহম্মদ নবি ৩৮ ও শেনওয়ারি ২৩ রান করেন। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে তাদের উইকেট পড়তে থাকে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল মাত্র ৮ রান। কিন্তু মুস্তাফিজুর দুরন্ত বোলিং করে কেবল মাত্র ৪ রান দেন। ফলে ৩ রানে হেরে যায় আফগানিস্তান।
এই হারের ফলে পরপর দুই ম্যাচ হেরে এশিয়া কাপের বাইরে বেরিয়ে গেল আফগানিস্তান। ভারত ফাইনালে উঠে গেছে। তাই ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ কার্যত সম্মান রক্ষার হয়ে দাঁড়ালো। অন্যদিকে বাংলাদেশ পাকিস্তান দুই দলই একটা করে ম্যাচ জিতেছে। অর্থাৎ পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ হয়ে দাঁড়ালো সেমিফাইনাল। যে দল জিতবে তারা ফাইনাল খেলবে ভারতের বিরুদ্ধে।