
শেষ আপডেট: 26 March 2024 19:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাপের মুখে এভাবে ম্যাচ জেতাতে পারেন এমএস ধোনি। বরফশীতল স্নায়ু দিয়ে বাজিমাত করতে সিদ্ধহস্ত তিনি। সাত বলে ২৪ রান দরকার, কিংবা ১০ বলে ৪৪ রান, কুছ পরোয়া নেহি উইকেটে মাহি রয়েছেন, ঠিক ম্যাচ বেরিয়ে যাবে।
বহুবার জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন ধোনি। সেই ক্রিকেটই বারবার মনে করাচ্ছেন দীনেশ কার্তিক। যিনি গত ম্যাচেও বিরাট কোহলি আউট হয়ে যাওয়ার পরে দল যখন প্রবল চাপে, সেইসময় হাসতে হাসতে ম্যাচ বার করে দিয়েছেন।
কার্তিকের বয়স ৩৮, তিনিও ধোনির মতোই। সারাবছর প্র্যাকটিসে থাকেন না। সারাবছর তিনি দেশে-বিদেশে ধারাভাষ্য দিয়ে বেড়ান, কাজ করেন সঞ্চালনার। তারপরেও তিন মাসের প্রস্তুতিতে মাঠে নেমে কার্তিক হয়ে ওঠেন রোবটের মতোই।
ক্রিকেটমহলের ধারণা, কার্তিকই হলেন এমএস ধোনি স্কুল অব ক্রিকেটের হেডস্যার, সেই স্কুলের প্রিন্সিপাল হলেন খোদ মাহিই। কারণ যেভাবে তিনি খেলেন ক্রিকেট, তাতে ধোনি ঘরানার ক্রিকেটের ছাপ স্পষ্ট থাকে। কেকেআরের অধিনায়ক থাকাকালীনও দেখা গিয়েছে, এমনকী যে দলে গিয়েছেন, তিনি হয়ে উঠেছেন ক্রাইসিস ম্যান। দল বিপদে, ম্যাচ জেতাতে হবে, দীনেশের ব্যাট বিপক্ষ দলের ধ্বংসলীলা লিখেছে।
কার্তিকের ১০ বলে ২৮ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস দেখে কোহলিও আপ্লুত। তিনিও ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, অভিজ্ঞতার দাম রয়েছে, সেটি দীনেশের ব্যাটিংয়ে পরিষ্কার ফুটে ওঠে। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার অবশ্য নির্লিপ্ত নিজের ওই ইনিংসের পরেও।
কার্তিক বলেছেন, ‘‘দলকে জেতাতে পেরে ভাল লাগছে। তবে আসল কাজ করেছে আমার সতীর্থ ব্যাটার মহিপাল লোমর। ও একটা দিক ধরে না রাখলে কাজটা আরও কঠিন হতো। তবে আমরা দু’জনে বলছিলাম, হর্ষল প্যাটেলকে দেখে খেলতে হবে। কারণ ও জানে অন দ্য স্পট কোথায় বল রেখে কাজ হাসিল করতে হয়, তাই ওকে একটু দেখে খেলেছি।’’