Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এখনই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়ের

না ফেরার দেশে এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী দলের সদস্য, ইস্টবেঙ্গলকে দিয়েছেন প্রচুর সাফল্য

আমাদের প্রাক্তন খেলোয়াড় ডিএমকে আফজালের প্রয়াণে আমরা শোকাহত। মৃত্যকালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৮৫ বছর। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই।

না ফেরার দেশে এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী দলের সদস্য, ইস্টবেঙ্গলকে দিয়েছেন প্রচুর সাফল্য

আইএফএ শিল্ড জয়ী ইস্টবেঙ্গল টিমের সঙ্গে আফজাল।

শেষ আপডেট: 8 May 2025 13:38

দ্য ওয়াল ব্যুরো: না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন জাতীয় দলের প্রাক্তন (Former National Footballer) ফুটবলার ডিএমকে আফজাল (DMK Afzal)। হায়দরাবাদের (Hyderabad) এই প্রাক্তন ফুটবলার মারা গিয়েছেন ৮৫ বছর বয়েসে। তাঁর পুরো নাম দোস্ত মহম্মদ খান আফজাল হলেও তিনি ডিএমকে আফজাল নামেই ভারতীয় ফুটবলে পরিচিত ছিলেন।

ভারতের কিংবদন্তি কোচ সৈয়দ আবদুল রহিমের (Syed Abdul Rahim) প্রিয় ছাত্র ছিলেন আফজাল। হায়দরাবাদের হয়ে ১৯৬৫ সালে সন্তোষ ট্রফি জেতার পর তিনি ভারতীয় ফুটবলে নজর কেড়ে নেন। ১৯৬২ জাকার্তা এশিয়ান গেমসের (1962 Jakarta Asian Games) সোনাজয়ী ( Gold Medal in Football) ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন পিকে, চুনি, বলরামদের সমসাময়িক।

ভারতীয় দলের জার্সিতে তিনি দুটি ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৬২ জাকার্তা এশিয়ান গেমসেই তাঁর অভিষেক হয়। সেই ম্যাচটি ছিল রিপাবলিক অব কোরিয়ার বিরুদ্ধে।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে কলকাতায় আসেন আফজাল। তার আগেই অবশ্য তাঁর ক্যাবিনেটে প্রবেশ করেছে ডুরান্ড কাপ (১৯৬১), রোভার্স কাপ (১৯৬২) ও ডিসিএম ট্রফি (১৯৬৫)-র মতো জাতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়নশিপ খেতাব। লাল-হলুদ জার্সিতেও মাঠ কাঁপিয়েছেন এই মিডফিল্ডার। গঙ্গা পাড়ের ক্লাবের হয়ে তিনি জেতেন আইএফএ শিল্ড (১৯৬৬), রোভার্স ও ডুরান্ড কাপ (১৯৬৭)। পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলে (East Bengal) থাকাকালীন ১৯৬৮ সালে জেতেন নাগজি ট্রফি, কেরালা এফএ শিল্ড ও বরদলৈ ট্রফি।     

আফজালের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে তাঁর প্রাক্তন ক্লাব ইস্টবেঙ্গেল। ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমাদের প্রাক্তন খেলোয়াড় ডিএমকে আফজালের প্রয়াণে আমরা শোকাহত। মৃত্যকালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৮৫ বছর। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ডিএমকে আফজাল ১৯৬৬-১৯৬৮ সালে আমাদের হয়ে খেলেছিলেন। ১৯৬৮ সালে শিল্ড, ডুরান্ড এবং রোভার্স কাপে তাঁর ১টি করে গোল রয়েছে। প্রখ্যাত এই মিডফিল্ডার ১৯৬২'র জাকার্তা এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন।”


```