দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রথম ম্যাচে ওলভসের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জিতেছিল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। ওই ম্যাচটি ছিল অ্যাওয়ে, কিন্তু মরসুমের শুরুতে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে নিজেদের মাঠে ২-৫ গোলে হার ম্যান সিটির। বিপক্ষ ছিল লিস্টারসিটি।
এর মধ্যে পেপ গুয়ার্দিওলার দল তিনটি গোলই হজম করেছে পেনাল্টি থেকে। ম্যাচের শুরুতে গোল করে এগিয়ে গিয়েও এমন হার এড়াতে পারেনি তারা। ৭২ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখেছিল ম্যান সিটি।
নিজের এক যুগের কোচিং জীবনে ৬৮৬টি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে এবারই প্রথম মরসুমের প্রথম ম্যাচে হার গুয়ার্দিওলার। এছাড়া আরও একটি তথ্য, ৪৩৮ ম্যাচ পরে কোনও ম্যাচে পাঁচ গোল হজম ম্যান সিটির।
এদিকে, স্বপ্নের মতো সময় কাটছিল বায়ার্ন মিউনিখের। বুন্দেশলিগা, লিগ কাপ ডিএফবি পোকাল জয়ের পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতে ত্রিমুকুট জিতেছিল। গত শুক্রবার উয়েফা সুপার কাপেও তারা হারিয়েছে সেভিয়াকে।
সবমিলিয়ে রীতিমতো উড়ছিল বর্তমান ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। শালকেকে হারিয়েছিল আট গোলে, এমনকি সেভিয়ার বিপক্ষে তাদের জয় সংখ্যা ছিল ২৪টি, এ মরসুমে। টানা ৩৪টি ম্যাচ তারা ছিল অপরাজিত। কিন্তু অনামী এক দল হফেনহেইমের কাছে তারা লিগের ম্যাচে হারল ১-৪ গোলের বড় ব্যবধানে।
সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বায়ার্ন গত ফেব্রুয়ারিতে কোনও ম্যাচে আটকে গিয়েছিল। লিগ ম্যাচে লাইপজিগের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছিল তারা। আর পরাজয়ের কথা মনে করতে গেলে ফিরতে হবে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর। যেদিন বরুশিয়া মনশেনগ্ল্যাডব্যাকের বিপক্ষে ১-২ গোলে হেরেছিল জার্মান জায়ান্ট ক্লাবটি। সেই দিনের প্রায় ১০ মাসের বেশি সময় পরে হার জার্মান জায়ান্টদের, তাও ৩৪ ম্যাচ পরে তারা হার স্বীকার করল।