
মিচেল আওয়েন
শেষ আপডেট: 4 May 2025 17:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পহেলগাম ইস্যু নিয়ে অশান্তির মধ্যে পাকিস্তান সুপার লিগে থাবা বসাল আইপিএল। কর্বিন বশের পর এক ক্রিকেটার পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে চলে এলেন। নাম মিচেল আওয়েন। অলরাউন্ডার। আদতে অস্ট্রেলিয়ার। খেলতেন বিগ ব্যাশে। সেখান থেকে পাকিস্তানে পাড়ি জমান আওয়েন। তাঁকেই এবার চোটের জেরে আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বদলি হিসেবে দলে তুলে নিল পাঞ্জাব কিংস।
উল্লেখ্য, আঙুলে চোটের জেরে চলতি আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ম্যাক্সওয়েল। এমনিতেও এবারের টুর্নামেন্টে ছন্দে ছিলেন না। দল থেকে বাদও পড়েন। এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহের গোড়ায় চোট পান।
ম্যাক্সওয়েলের পরিবর্তে পাঞ্জাব বেছে নিয়েছে আরেক অস্ট্রেলীয় মিচেল আওয়েনকে। যিনি পিএসএলে পেশওয়ার জলমির হয়ে মাঠে নামেন। এই দলেই তাঁর সতীর্থ বাবর আজম। সূত্রের খবর, ৩ কোটি টাকার বিনিময়ে পাঞ্জাব কিংস তাঁকে কিনে নিয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার টি-২০ টুর্নামেন্ট হবার্ট হ্যারিকেনসের হয়ে বিগ ব্যাশ লিগে সর্বশেষ মরশুমে ৪৫২ রান করেছেন মিচেল। স্ট্রাইক রেট দুশোর-ও উপরে। ব্যাটিং অর্ডারে উপরের দিকে ব্যাট করেন তিনি। বোলার হিসেবে মিডিয়াম পেসার।
এই নিয়ে একটি আইপিএল একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে। বিবৃতিতে লেখা, ‘পাঞ্জাব কিংস গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বদলি হিসেবে মিচেল আওয়েনকে বেছে নিয়েছে। ম্যাক্সওয়েল চোটের জেরে এবারের আইপিএল থেকে ছিটকে যান। তাসমানিয়ার মিচ আওয়েন কেরিয়ারে এখনও পর্যন্ত ৩৪টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। করেছেন ৬৪৬ রান। রয়েছে দুটো সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ রান ১০৮। অলরাউন্ডার মিচেল বল হাতে ১০টি উইকেটও সংগ্রহ করেছেন।‘
উল্লেখ্য, একই দল অর্থাৎ পেশোয়ার জলমি থেকে পিএসএল চলাকালীন মুম্বই ইন্ডিয়ানসে যোগ দেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার কর্বিন বশ। তিনি চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে এসেছিলেন। তার জন্য বশকে কারণ দর্শানোর নোটিসও ধরায় পেশোয়ারের ফ্র্যাঞ্চাইজি। পরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বশ। দলে সুযোগ না পাওয়ার জেরে স্বীকার করেন, পিএসএল ছেড়ে আসার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল।
যদিও আওয়েন একই ভুল করছেন না। পিএসএলের দায়িত্ব মিটিয়েই আইপিএলে যোগ দিচ্ছেন তিনি। চলতি মরশুমে পাকিস্তান সুপার লিগে ২০০ রান করেছেন আওয়েন। নিয়েছেন দুটি উইকেটও।
অবশ্য বিশ্বক্রিকেটে মিচেল আওয়েন নজরে এসেছেন বিগ ব্যাশের সৌজন্যে। এরবারের সিজনে দুটি সেঞ্চুরির মালিক। অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স সিডনি থান্ডারের বিরুদ্ধে। ৫৪ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন আওয়েন। তবে সেরার সেরা খেলাটি তুলে রেখেছিলেন ফাইনালের জন্য। একই টিমের বিরুদ্ধে ৪২ বলে করেন বিধ্বংসী ১০৮ রান। ওই ম্যাচে মারেন ১১টি সুবিশাল ছক্কা।