দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনিও শেষমেশ পারেননি দেশবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে। রিও অলিম্পিকে সারা দেশ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল দীপা কর্মকারের জিমনাস্ট পারফরম্যান্সের সময়। প্রোদুনোভা ভল্টের পরেও তিনি পদক স্পর্শ করতে পারেননি।
প্রয়াত মিলখা সিং, কিংবদন্তি অ্যাথলিট পি টি উষার মতো তিনিও অলিম্পিকে চতুর্থ হয়েই সন্তুষ্ট থাকেন। পাঁচবছর পরেও সেই যন্ত্রনা কিছুটা হলেও মিটল আগরতলায় মেয়েটির।
সেবারের অপূর্ণ পদক জয়ের স্বাদ মীরাবাই চানুর মাধ্যমে যেন পেলেন দীপা। ইম্ফলের একটা প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা মীরা যেন পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াবিদদের স্বপ্ন দেখালেন। চেষ্টা করলে তোমরাও পারবে, এমনই এক বার্তা দিলেন।
শনিবার মীরার রুপো পদক জয়ের পরে দীপা নিজে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘‘অলিম্পিক ২০২০ -র শুরুটা কী অসাধারণ ভাবে হল। এই পদকটা তোমার প্রাপ্য, আর এটা পাওয়ার জন্য তোমাকে অনেক শুভেচ্ছা মীরাবাই চানু। আমি পারিনি, তুমি তো পেরেছ, তাই গর্বিত আমরা।’’
একা শুধু দীপাই নন, আর এক বাঙালি মহিলা অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মনও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চানুকে। তিনিও ফেসবুকের মাধ্যমেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুপোজয়ী ভারত্তোলককে। তিনি লিখেছেন, মীরাবাই চানু তোমাকে অভিনন্দন, আমাদের স্বপ্ন দেখানোর জন্য।
চানুর এই লড়াই সকলকেই অনুপ্রাণিত করছে। মণিপুর থেকে টোকিও অলিম্পিক্সের পোডিয়াম পর্যন্ত সফরটা কিন্তু সহজ ছিল না চানুর কাছে। যে মেয়েটা একটা সময়ে জ্বালানির জন্য বনে কাঠ কাটতে যেতেন, সেই মেয়েই শনিবার ভারতকে এ বারের অলিম্পিকের প্রথম পদক এনে দিয়েছেন।
এদিকে, মীরাবাই চানুর এই সাফল্যকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ একটি টুইট করেছেন। তাতে দেখা গিয়েছে, পোস্টের ক্যাপশনে নিজের খুশি হওয়ার কথা লেখার পাশাপাশি দুটি ছবি শেয়ার করেন। ছবি দু'টির একটিতে টিভির জনপ্রিয় শো ‘আপ কি আদালত’-র সঞ্চালক রজত শর্মার ছবি দেখা যায়। অপর ছবিটিতে লেখা ছিল পদক। দুইয়ে মিলে হয় রজত (রুপোর আরেক নাম) পদক। বীরুর এই বুদ্ধিদীপ্ত টুইট বেশ সাড়া ফেলেছে।