
শেষ আপডেট: 20 January 2024 00:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্যাচলাইনে একটা কথাই লেখা যায়, ডুরান্ড কাপে হারের বদলা নিলেন কার্লোস কুয়াদ্রাত। লাল হলুদের হেডস্যার সেবার ডুরান্ডের প্রথম সাক্ষাতে জিতলেও ফাইনালে মোহনবাগানের কাছে হেরে গিয়েছিলেন। বাজিমাত করেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো।
সেই ফেরান্দো নিজে সরে গেলে কী হবে সবুজ মেরুন দলকে হারানো না পর্যন্ত লাল হলুদের স্প্যানিশ কোচ খুশি হতে পারছিলেন না। তিনি স্বস্তি পেলেন শুক্রবার। হয়তো ঘরের মাঠে যুবভারতীতে নয়, কিন্তু ভুবনেশ্বরের মাঠ কার্লোসকে, সেইসঙ্গে পুরো ইস্টবেঙ্গলকে নতুন করে লাইফলাইন দিয়েছে।
কী করে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি বাজিমাত ঘটালেন, সেই নিয়ে দুই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছে দ্য ওয়াল। ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন অধিনায়ক প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন তিনটি কারণ।
তিনি বলেছেন, ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কারণ তাঁদের কোচ। যিনি ম্যাচের আগে বলে দিয়েছিলেন, আমি জানি ড্র করলেই সেমিতে চলে যাব। কিন্তু আমাদের ছেলেরা জিতে সেমিফাইনালে যাবে। এতেই পুরো দলের ফোকাস ঠিক হয়ে যায়।
দ্বিতীয়ত, দলের মাঝমাঠকে তেল খাওয়া মেশিনের মতো করেছেন কোচ। ক্রেসপো, হিজাজিদের রেখে তিনি নিশুকুমারদের মতো প্রতিভাকে কাজে লাগিয়েছেন, যাতে পুরো দলের চেহারা বদলে গিয়েছে। পাশাপাশি সিলভাকে অনেকটা জায়গা জুড়ে খেলতে দিয়েছেন।
শেষটি হল, বাগানের দল সম্পর্কে হোমওয়ার্ক করে দল সাজানো, তাই এক গোলে পিছিয়ে পড়েও কোচ হতাশ হননি। তিনি বরং নতুন করে ছেলেদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে পেরেছেন।
মোহনবাগানের প্রাক্তন স্ট্রাইকার মানস ভট্টাচার্য দুটি কারণের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি জানান, মোহনবাগানের আটজন তারকা না থাকা সমস্যা হয়ে গিয়েছে। হাবাস বেশিদিন দলকে দেখতে পারেননি। তাঁকে দোষ দেওয়া যায় না। পুরো দল এলে আবার চেনা ছন্দে দেখা যাবে দলকে।
লাল হলুদের জয়ের কারণ হিসেবে কোচকেই কৃতিত্ব দিয়েছেন। কার্লোস এমন কোচ যিনি হতাশা জড়িয়ে থাকতে চান না। তিনি এই দলটিকে সেট করে দিয়েছেন অনেক ব্যর্থতার পরেও।