ম্যাচের পর সম্প্রচারককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হার্দিক জানান, মাহিকা তাঁর জীবনে আসার পর থেকেই যেন সবকিছু বদলে গিয়েছে। কণ্ঠে তখন তাঁর আবেগঘন সুর। তিনি বলেন, মাহিকা তাঁর জীবনে সৌভাগ্য নিয়ে এসেছেন। কথায় কথায় মাহিকাকে ‘স্ত্রী’ বলেও উল্লেখ করেন হার্দিক।

শেষ আপডেট: 9 March 2026 12:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ জয়ের আনন্দে রবিবার রাতে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। সেই জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। ফাইনাল জয়ের পর মাঠেই সকলের সঙ্গে উদযাপনে মেতে ওঠেন তিনি। পাশে ছিলেন তাঁর প্রেমিকা মাহিকা শর্মা (Mahika Sharma)। দু’জনের একসঙ্গে উদযাপনের মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ম্যাচের পর সম্প্রচারককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হার্দিক জানান, মাহিকা তাঁর জীবনে আসার পর থেকেই যেন সবকিছু বদলে গিয়েছে। কণ্ঠে তখন তাঁর আবেগঘন সুর। তিনি বলেন, মাহিকা তাঁর জীবনে সৌভাগ্য নিয়ে এসেছেন। কথায় কথায় মাহিকাকে ‘স্ত্রী’ বলেও উল্লেখ করেন হার্দিক। তাঁর কথায়, আমার ‘স্ত্রী’ পাশে না থাকলে এসব কিছুই সম্ভবই হত না। আমি সত্যিই খুব খুশি। ভাইরাল হয়েছে মাঠে তাঁদের চুম্বনের মুহূর্তও।
টুর্নামেন্টের প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে দেখা গিয়েছে মাহিকাকে। দর্শকাসন থেকে প্রিয় মানুষটিকে উৎসাহ দিতে কখনও হাততালি, কখনও উচ্ছ্বাসে ভেসে উঠেছেন তিনি।
শুধু ব্যক্তিগত জীবনের কথা নয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও জানিয়েছেন ভারতীয় তারকা অলরাউন্ডার। হার্দিক বলেন, এখন তিনি দলের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার হলেও মনে করেন তাঁর কেরিয়ারের এখনও অনেকটা পথ বাকি। অন্তত আরও ১০ বছর ভারতের হয়ে খেলতে চান তিনি। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে চার থেকে পাঁচটি আইসিসি ট্রফি জেতার স্বপ্নও প্রকাশ করেছেন।
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জুড়েই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন হার্দিক। নতুন বলে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেওয়া থেকে শুরু করে শেষ ওভারে ঝোড়ো ব্যাটিং—সব ক্ষেত্রেই দলের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ভারতীয় দলের অন্যতম ট্রাম্প কার্ড হিসেবেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন এই অলরাউন্ডার।
এরই মাঝে কয়েক দিন আগে সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখতে মুম্বইয়ে এসেছিল হার্দিকের ছেলে অগস্ত্য পান্ডিয়া (Agastya Pandya)। সেই সময় ছোট্ট অগস্ত্যকে আগলে রাখতে দেখা যায় মাহিকাকে। ভিআইপি স্ট্যান্ডে তাঁর পাশেই বসে ম্যাচ উপভোগ করছিল খুদে। বাবার আউট হওয়ায় খানিকটা রেগেও গিয়েছিল সে, দূর থেকেই বাবাকে মিষ্টিভাবে বকাবকি করছিল। তখনও তাকে শান্ত করতে দেখা যায় মাহিকাকেই। ম্যাচ শেষে অগস্ত্যকে গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বও নেন তিনি।