এপস্টিন ফাইলে নাম জড়াল ফ্র্যাঙ্ক রিবেরির! ভাইরাল নথিতে উঠে এল ১৪ বছরের মেয়েদের নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য।

Franck Ribery, Epstein File, Franck Ribery Controversy
শেষ আপডেট: 11 February 2026 23:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে ফ্রান্সের প্রাক্তন তারকা ফুটবলার ফ্র্যাঙ্ক রিবেরি। তবে এ বার মাঠের পারফরম্যান্স বা কোচিং নয়, বরং এক চাঞ্চল্যকর নথির সূত্রেই তাঁর নাম ঘিরে নতুন জল্পনা। ‘এপস্টিন ফাইল’-এ (Franck Ribery Epstein File) উঠে এসেছে তাঁর নাম—এমনই দাবি করেছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে মার্কিন বিচারবিভাগ ‘এপস্টিন ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর অধীনে একাধিক নথি প্রকাশ্যে আনে। সেই ফাইলগুলিতে বিশ্বের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের নাম উঠে এলেও ক্রীড়াজগতের কারও নাম ছিল না। সেখানে রিবেরির নাম সামনে আসা স্বাভাবিকভাবেই আলাদা করে নজর কেড়েছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—কোনও ফাইলে নাম থাকা মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। রিবেরির নাম প্রকাশ্যে আসায় তদন্তের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, কিন্তু তাঁকে দোষী প্রমাণ করতে গেলে আইনি প্রমাণ অপরিহার্য।
ভাইরাল হওয়া নথির ২৬, ২৮ এবং ৩০ নম্বর পাতায় রিবেরির নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ২৬ নম্বর পাতায় লেখা আছে, “আমি যখন আমার বাগানে ছিলাম, সেই সময় রিবেরি আমাকে মারধর করার চেষ্টা করেন। আমার ফোন নম্বর এবং ঠিকানা সংগ্রহ করেন। পুলিশ এসে তাঁকে ঘিরে ফেলে এবং গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।”
একই পাতার অন্য অংশে উল্লেখ রয়েছে, “আমি অবাক হয়েছিলাম আমাকে দেহ ব্যবসার সার্কিটে দেখে। আমার মনে হয়েছে, দেহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একটি দল আমাকে অপহরণ করার চেষ্টা করেছিল।”
২৮ নম্বর পাতায় বলা হয়েছে, “ও ফ্র্যাঙ্ক রিবেরির সঙ্গে এসেছিল এবং পুলিশকর্মীরাও তাঁদের সঙ্গে ছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের আনতে বলা হয়েছিল।”
৩০ নম্বর পাতায় আরও একটি মন্তব্য রয়েছে: “দেহ ব্যবসার জগতে ফ্র্যাঙ্ক রিবেরির মতো মানুষের উপস্থিতি আর নতুন করে কিছু প্রমাণ করে না।” (Franck Ribery Controversy)
তবে এই বক্তব্যগুলি কার বয়ান, কোন প্রেক্ষাপটে বা কোন স্থানের ঘটনা—তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। অর্থাৎ, পুরো বিষয়টি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী বলা যায় না, এবং সংশ্লিষ্ট দেশের প্রশাসনও প্রমাণ ছাড়া কোনও ব্যবস্থা নিতে পারে না।
উল্লেখযোগ্য যে, এর আগেও বিতর্কে জড়িয়েছেন রিবেরি। ২০১০ সালে ফরাসি পুলিশ তাঁর ও করিম বেঞ্জেমার বিরুদ্ধে নাবালিকাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছিল। প্রায় চার বছর ধরে তদন্ত চলার পর ২০১৪ সালে দু’জনকেই নির্দোষ ঘোষণা করা হয়।