
হ্যারি কেন
শেষ আপডেট: 7 July 2024 00:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ। গত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের মতো ফয়সালা হল না ১২০ মিনিটেও। শেষে পেনাল্টি শুটআউটে ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড। খেলার ফল ৫-৩ (টাইব্রেকার)।
৭৪ মিনিট পর্যন্ত যা খেলা হচ্ছিল তাতে অধিকাংশের মনে হয়েছিল ম্যাচ যেতে পারে এক্সট্রা টাইমে। ৯০ মিনিট শেষে হলও তাই। কিন্তু তার আগে কার্যত ঝড় বইল ইউরো কাপের কোয়ার্টার ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচে। ইংল্যান্ড-সুইৎজারল্যান্ড ম্যাচেও ছিল টানটান উত্তেজনা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বারবার আক্রমণ শানাচ্ছিল হ্যারি কেন, বেলিংহামরা। কিন্তু কিছুতেই কাঙ্ক্ষিত সেই গোল পাচ্ছিল না। হাফটাইম হওয়ার আগে বেশ কয়েক মিনিট আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু তাতেও বিশেষ লাভ হয়নি। সেই তুলনায় সুইৎজারল্যান্ডের খেলার ধার ছিল অনেকটাই ভোঁতা।
প্রথমার্ধের পর ড্রেসিংরুমে কোচের 'পেপটক' ভালই কাজে লাগায় সুইৎজারল্যান্ডের এমবোলো, ভারগাসরা। কারণ দ্বিতীয়ার্ধে তাঁদের খেলার ধরন অনেকটাই বদলাল। তবুও যখন মনে হচ্ছিল খেলা ০-০ ড্র হবে এবং ম্যাচ যাবে অতিরিক্ত সময়ে তখনই ৭৫ মিনিটে গোল করেন সুইৎজারল্যান্ডের এমবোলো। ইংল্যান্ড বক্সের মধ্যে আসা গ্রাউন্ডেড বলে পা ঠেকিয়ে জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ১-০ এগিয়ে যায় সুইৎজারল্যান্ড।
মনে করা হচ্ছিল ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়ে জার্মানি, পর্তুগালের দলে সামিল হবে ইংল্যান্ড। কিন্তু ৮০ মিনিটেই আসে টুইস্ট। গোল খাওয়ার মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধানেই সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। গোল করেন সাকা। সুইৎজারল্যান্ড ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থাকা মারা তাঁর কার্ভড শট বুঝে উঠতে পারেননি সুইৎজারল্যান্ড গোলকিপার সোমার। বার ছুঁয়ে তা গোলে ঢুকে যায়। অবশেষে ১-১ অবস্থায় ম্যাচ চলে যায় এক্সট্রা টাইমেই।
অতিরিক্ত সময়ও বিশেষ কিছু ঘটেনি। তবে ১১৭ মিনিটের মাথায় সুইস তারকা শাকিরির কর্নার থেকে নেওয়া শট যদি সোজা গোলে ঢুকে যেত তাহলে হয়তো ইতিহাস হত। এছাড়া ঠিক তার পরের মুহূর্তে ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ড একটি দূরন্ত সেভ করেন। শেষ ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। ৫-৩ গোলে সুইৎজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের জায়গা পাকা করে নিল হ্যারি কেনরা।
শেষ ষোলোর ম্যাচে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালিতে হারিয়ে চমক দিয়েছিল সুইৎজারল্যান্ড। এই ম্যাচেও মনে হয়েছিল তারা চমক দেবে। কিন্তু একটা টাইব্রেকার মিস সব হিসেব গুলিয়ে দিল।