
শেষ আপডেট: 13 November 2023 16:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ড্রেসিংরুমের কাচের দেওয়ালে হাতের ওপর মাথা দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। চোখ ছলছল করছিল। সেদিন তিনি কান্না লুকোতে পারেননি। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হারের পর রোহিত শর্মার সেই ছবিই ঘুরছে সর্বত্র। চার বছর পর আবার বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নামছে ভারত। প্রতিপক্ষ সেই নিউজিল্যান্ড।
ওয়াংখেড়েতে কি চার বছর আগের বদলা নিতে পারবে ভারত, নাকি আবার একই হতাশা গ্রাস করবে তার উত্তর সময় দেবে। কিন্তু টানা ন'ম্যাচ জেতা ভারত সেমিফাইনাল নিয়ে খুবই সতর্ক। বিশেষত ওয়াংখেড়ের পিচ নিয়ে ভাবাচ্ছে কুলদীপ যাদবকে!
সেই ওয়াংখেড়ে! ২০১১ সালে এই মাঠেই বিশ্বকাপ জিতেছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপ জিতে আনন্দের বাঁধ ভেঙে দিয়েছিলেন ধোনিরা। সেই মাঠেই নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে ভারতের কাছে। আবার কাঁটাও আছে। সেই কাঁটায় পা কেটে যাওয়ার আশঙ্কা করছে ভারতীয় সমর্থকরা।
সেমিফাইনালের ম্যাচে ওয়াংখেড়ের পিচ কতটা সঙ্গ দেবে, তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন কুলদীপ যাদব। নেদারল্যান্ডস ম্যাচে ২ উইকেট পেয়েছেন তিনি। তবে ওয়াংখেড়ের পিচ বোলারদের ক্ষেত্রে যে খুব সুবিধাজনক হবে না, তা মেনে নিচ্ছেন ভারতীয় স্পিনার। তাঁর কথায়, এই পিচে বল করা খুব একটা সহজ নয়। ওয়াংখেড়ের পিচে যথেষ্ট বাউন্স আছে। যার ফলে ব্যাটাররা সুবিধা পাবেন। ৫০ ওভারের ম্যাচে এই পিচে বল করা বড় চ্যালেঞ্জ।
এই পিচে কীভাবে সাফল্য পেতে পারেন বোলাররা? কুলদীপের কথায়, 'ম্যাচের প্রথম থেকেই উইকেট তুলে বিপক্ষকে চাপে ফেলতে হবে।' ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের ব্যর্থতা নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন কুলদীপ। তিনি বলেন, 'মাঝে চার বছর কেটে গেছে। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে এর মধ্যে অনেকগুলি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছি আমরা। তাই তাদের শক্তি, দুর্বলতা সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। তাই সেমিফাইনালের লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হবে।'