দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাফল্য ও বিতর্ক পাশাপাশি হাঁটল ভারতীয় টেবল টেনিসে।
একদিকে বাংলার মেয়ে সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ জিতে খুশির খবর দিলেন। আর একইদিনে বিতর্কের কেন্দ্রে মনিকা বাত্রা। তাঁরই এর আগে নজির ছিল অলিম্পিকে প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকানো। সেটি করে দেখিয়েছেন নৈহাটির মেয়ে সুতীর্থা। বঙ্গতনয়াকে বদলে দেওয়ার মূলে রয়েছেন বাংলার আরও এক তারকা প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সৌম্যদীপ রায়। তিনি জাতীয় কোচ হিসেবে টোকিওতে গিয়েছেন।
আর এখানেই সমস্যা মনিকার। তিনি শনিবার ম্যাচ চলাকালীন সময়ে সৌম্যদীপের পরামর্শ নিতে সরাসরি অস্বীকার করেন। তিনি বলে দেন, আপনার পরামর্শ আমার দরকার নেই। এই ঘটনায় এদিন যথেষ্ট বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মনিকার মতো এক নামী তারকার এমন আচরণকে কেউ ভালমতন গ্রহণ করছেন না। তাঁর নামে যদিও সরকারী কোনও অভিযোগ জমা দেওয়া হয়নি।
মনিকা এদিন প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের টিনটিন হো-কে সহজেই হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে গিয়েছেন। ওই ম্যাচ চলার সময়ই মনিকাকে পরামর্শ দিতে এগিয়ে যান সুতীর্থার ব্যক্তিগত তথা ভারতীয় দলের কোচ সৌম্যদীপ। মনিকা তাঁকে না বলে দেন। কারণ মনিকার যিনি ব্যক্তিগত কোচ সেই সন্ময় পরাঞ্জপেকে গেমস ভিলেজে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি, এই নিয়ে মনিকার রাগ রয়েছে। তাঁর কোচ রয়েছেন টোকিওর এক নামী হোটেলে। তিনি যেহেতু অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাননি, সেই কারণে তিনি ম্যাচ চলার সময় অডিটোরিয়ামেও প্রবেশ করতে পারেননি। এই রাগটাই সৌম্যদীপের ওপর পড়েছে বলে ধারণা।
এই নিয়ে ২৬ বছর বয়সী নামী তারকা মনিকা দলের ম্যানেজার এম পি সিংকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেন যাতে করে তাঁর কোচকে ভেতরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু কোভিড বিধির কারণেই বাইরে থেকে কেউই অলিম্পিক আসরে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই কারণেই সৌম্যদীপের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেননি মনিকা। এই নিয়ে জাতীয় শিবিরেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।
মিক্সড ডাবলসে শরথ কমলের সঙ্গে মনিকার ম্যাচে নামার কথা, ওই ম্যাচেও কোচ হিসেবে সৌম্যদীপই থাকবেন। সেই ম্যাচেও একই আচরণ করলে মনিকাকে শাস্তি পেতে হবে। তাঁকে এই নিয়ে সবাই বুঝিয়েছেন, কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে।