ডার্বি নিয়ে হয়তো এই প্রথমবার লাল-হলুদ এবং সবুজ মেরুন সমর্থকরা জেতা-হারার থেকেও বেশি ভেবেছিলেন প্রতিবাদের কথা। তাঁদের মাঠে যাওয়ার আরও বেশি তাগিদ ছিল আরজি কর ইস্যুতে প্রতিবাদ করার জন্য। এ জন্য বেশ প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা আর হয়নি, কারণ ডার্বিই বাতিল হয়েছে।
ডুরান্ড কাপ কর্তৃপক্ষ চেয়েছিল, বাড়তি সেনাবাহিনী নামিয়ে এই ম্যাচ করানোর। কিন্তু আরজি করের ঘটনায় এই মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তার মধ্যে গ্যালারিতে ফের ওই ঘটনা নিয়ে বিদ্রোহ হলে পরিস্থিতি আয়ত্বের বাইরে চলে যেতে পারে। এই আশঙ্কায় সেনাবাহিনী দিয়েও ম্যাচ করাতে রাজি হয়নি প্রশাসন। তাই ম্যাচ বাতিলই করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে দুই দলই জানিয়ে দেয়, তাদের সমর্থকরা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে জমায়েত করবে, মিছিল করবে আরজি কর কাণ্ডের বিচার চেয়ে। এই নিয়ে কাল থেকেই চলছিল প্রস্তুতি। চিরদিনের প্রতিপক্ষ দুই দল একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাঁটবে-- এই নিয়ে প্রভূত উত্তেজনা ছিল সব মহলে। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে এগিয়ে আসে মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবও।
কিন্তু তা আর হবে না। বিধাননগর কমিশনারেট নিষিদ্ধ করে দিল জমায়েত। এর পরেই পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স এবং ব়্যাফে ছেয়ে যায় যুবভারতী ক্রীড়ঙ্গন এলাকা।


