শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি (Sundarban Bengal Auto FC) কোনও গোল করতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ০-০ গোলে শেষ হয়। তবে প্রথম লেগে এক গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থেকেই বেঙ্গল সুপার লিগের প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পৌঁছে গেল ব্যারেটো শিবির।

হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স-সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি।
শেষ আপডেট: 30 January 2026 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেঙ্গল সুপার লিগের (Bengal Super Leauge) প্রথম সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে উত্তেজনাপূর্ণ ড্রয়ের মধ্য দিয়েই ফাইনালের ছাড়পত্র আদায় করল হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স (Howrah Hooghly Warriors)। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি (Sundarban Bengal Auto FC) কোনও গোল করতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ০-০ গোলে শেষ হয়। তবে প্রথম লেগে এক গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থেকেই বেঙ্গল সুপার লিগের প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পৌঁছে গেল ব্যারেটো শিবির।
এর আগে বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে প্রথম লেগের ম্যাচে নাটকীয় লড়াইয়ে ৪-৩ গোলে সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসিকে হারিয়েছিল হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স। সেই জয়ের সুবাদে দ্বিতীয় লেগে এক গোলের বাড়তি সুবিধা নিয়ে মাঠে নামে তারা। অন্যদিকে, ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আক্রমণাত্মক ছকেই ম্যাচ শুরু করে মেহতাব হোসেনের (Mehtab Hossain) সুন্দরবন।
এই ম্যাচ ঘিরে আলাদা আকর্ষণ ছিল দুই দলের কোচকে নিয়ে। বাংলা ফুটবলের দুই প্রধান ক্লাব ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) ও মোহনবাগানের (Mohun Bangan) প্রাক্তন তারকা খেলোয়াড় ব্যারেটো ও মেহতাব হোসেন বিপরীত ডাগআউটে থাকায় ম্যাচের উত্তেজনা শুরু থেকেই ছিল চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ১০ মিনিটের মাথায় সুন্দরবনের রিচমন্ডের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর ১৮ মিনিটে ফের রিচমন্ডের শটে হাওড়ার গোলরক্ষক অভিলাস পালকে ছাড়িয়ে গেলেও গোললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মনোতোষ চাকলাদার দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। প্রথমার্ধ জুড়ে সুন্দরবন একাধিক আক্রমণ করলেও হাওড়া রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।
২৮ মিনিটে দুই দলের মধ্যে ধস্তাধস্তি পরিস্থিতি তৈরি হলে হাওড়ার দ্বীপ গাইন এবং সুন্দরবনের শুভঙ্কর দাস হলুদ কার্ড দেখেন। ৪৩ মিনিটে হাওড়া ফ্রি কিক থেকে পাওলো সিজারের শট সুন্দরবনের গোলরক্ষক দক্ষতার সঙ্গে আটকে দেন। গোলশূন্য অবস্থাতেই প্রথমার্ধ শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সুন্দরবন। ৫০ মিনিটে রাহুলের ক্রসে রাঘব গুপ্তার শট দুর্দান্তভাবে বাঁচান অভিলাস পাল। ৬৮ এবং ৭০ মিনিটে পরপর দুটি হেডে গোলের সুযোগ পেলেও পাওলো সিজার লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হন। ম্যাচের শেষ ভাগে নাটকীয়তা বাড়ে ৭৫ মিনিটে, যখন রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে সুন্দরবনের গোলকিপিং কোচ শুভাশিস রায়চৌধুরী লাল কার্ড দেখেন। শেষ দিকে সুন্দরবন চাপ বাড়ালেও কাঙ্ক্ষিত গোল আসেনি। ফলে দ্বিতীয় লেগ ড্র হলেও প্রথম লেগের জয়ের সুবাদে দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থেকে ফাইনালে পৌঁছে যায় হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স (।