ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে তিল ছয়ভাবে ব্যবহার করলে মানসিক ও শারীরিক পবিত্রতা বৃদ্ধি পায় এবং পুণ্যলাভ হয় (Shattila Vrat Rules)।

ষটতিলা একাদশী
শেষ আপডেট: 12 January 2026 14:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরের শুরুতেই হিন্দুদের জন্য আসে এক পবিত্র ও শুভ দিন- ষটতিলা একাদশী (Shattila Ekadashi 2026)। ভগবান বিষ্ণুর আরাধনায় বিশেষ গুরুত্ব থাকা এই একাদশী পালন করা হয় মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশ তিথিতে। ২০২৬ সালে দিনটি আরও বিশেষ, কারণ একই দিনে পড়ছে মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2026)। তাই পুরোহিত ও আচার্যদের মতে এবারের ষটতিলা একাদশী অত্যন্ত শুভ ও ফলপ্রদ একটি দিন।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ষটতিলা একাদশী (Shattila Ekadashi 2026) ১৪ জানুয়ারি, বুধবার। একাদশী তিথি শুরু হচ্ছে ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৩.১৭ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৪ জানুয়ারি বিকেল ৫.৫২ মিনিটে। যেহেতু ১৪ জানুয়ারির সূর্যোদয়ের সময় তিথি থাকবে, তাই এই দিনেই উপবাস পালন করা হয়। উপবাস ভাঙার সময় নির্ধারিত হয়েছে ১৫ জানুয়ারি সকাল ৭ টা ১৫ থেকে ৯ টা ২১ মিনিট পর্যন্ত।
'ষটতিলা’ শব্দটি এসেছে ‘ষট’ (ছয়) এবং ‘তিলা’ (তিল) থেকে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে তিল ছয়ভাবে ব্যবহার করলে মানসিক ও শারীরিক পবিত্রতা বৃদ্ধি পায় এবং পুণ্যলাভ হয় (Shattila Vrat Rules)। সেই ছ’টির মধ্যে রয়েছে, তিল মেশানো জল দিয়ে স্নান (তিল-স্নান), তিলের উবতান ব্যবহার, তিলের হোম, তিল-তর্পণ, তিল-ভোজন এবং তিল-দান। ধর্মীয় মতে, এই নিয়ম পালন করলে শরীর ও মন দু’টোই বিশুদ্ধ হয় এবং তর্পণে পিতৃদের সন্তুষ্টি লাভ হয়।
উপবাস ও পূজার নিয়ম:
শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, উপবাসের সময় চাল, গম ও ডালের মতো শস্য খাওয়া উচিত নয় (Shattila Ekadashi Puja Vidhi)। সম্পূর্ণ উপবাস না করলে ফল, দুধ, বাদাম (ফলাহার) গ্রহণ করা যায়। এদিন রাগ, মিথ্যা, নিন্দা ও নেতিবাচক চিন্তা এড়িয়ে চলা উচিত। শাস্ত্র অনুযায়ী, দান ও ত্রিপাঠ বিশেষ গুরুত্ব পায়, বিশেষ করে তিল, খাদ্য ও বস্ত্র দান করলে পুণ্য বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
এই প্রতিবেদনটি জ্যোতিষ ও ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা। এর কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নাও থাকতে পারে।