
শেষ আপডেট: 2 August 2022 07:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজো তো চলেই এলো। শুরু হবে শপিং। আর শপিংয়ের সময় অত দিন রাত মাথায় রেখে তো শপিং করা যায় না। সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়তে হয়। কিন্তু দিনের বেলা শপিংয়ে বেরোনো মানেই তো দারুণ রোদ। এত রোদে মাথা আর চোখ বাঁচিয়ে তো শপিং করতে হবে, তাই না? রোদ থেকে মাথা বাঁচাতে ছাতা, আর চোখ বাঁচাতে দরকার সানগ্লাস।
এই সানগ্লাস এখন প্রয়োজন পেড়িয়ে চলে এসেছে ফ্যাশনে। হরেকরকম ফ্রেমের, নানা রঙের কাচ দিয়ে এখন তৈরি হচ্ছে সানগ্লাস। আর তা সকালের সাজ সম্পূর্ণ করতে অতি প্রয়োজনীয়।
শুধু তাই নয়, অনেক সময় কোনও শোকের মুহূর্তেও কারও কারও চোখে দেখা যায় সানগ্লাস। চোখের জল ঢাকতে তখন একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে রঙিন চশমায়।
কিন্তু জানেন কি, যে সানগ্লাস (Sun glass) আজকের দিনে রোদ চশমা বলে পরিচিত, তা আসলে রোদ থেকে চোখ বাঁচাতে বা স্টাইল (Style) স্টেটমেন্ট মেনটেইন করতে কিন্তু বানানো হয়নি। বানানো হয়েছিল আসলে চোখের কথা আড়াল করতে। আর তা সবার জন্য নয়। উকিলদের (Advocate) চোখের কথা আড়াল করতেই তৈরি হয় এই রঙিন চশমা।
আর এই চশমা কিন্তু শুরু থেকে মোটেই এত স্টাইলিশ ছিল না। তা দেখতে ছিল অনেকটাই ওই চোখের পাওয়ার পরীক্ষা করার চশমার মতো।
আদালতে উকিলরা যখন অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চালাতেন তখন নিজেদের চোখের ভাব আড়াল করার জন্য দরকার হত রঙিন চশমার। কারণ অনেক সময় জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় উকিলেরও মন গলে যায়। অভিযুক্ত মিথ্যে বললে বুঝতে কখনও উকিলেরও ভুল হতে পারে। তিনিও তো মানুষ। তাই চোখের কথা যাতে উল্টোদিকে কাঠগড়ায় থাকা ব্যক্তি বুঝতে না পারেন, তার জন্যই উকিলবাবুর দরকার হত ধূসর কাঁচের চশমা।
সানগ্লাসের ব্যবহার শুরু হয় দ্বাদশ শতকে, চিনে। এরপর বায়ুসেনারাও সানগ্লাসের ব্যবহার শুরু করে। তিনের দশক থেকে সানগ্লাস পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নেই ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে।