
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 25 January 2025 16:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সমুদ্রের নীচে ১২০ দিন কাটিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন জার্মানির এক ইঞ্জিনিয়ার। অ্যাডভেঞ্চার করতে গিয়েই একাজ করেছেন তিনি। সমুদ্রের তলায় দীর্ঘদিন থাকতে গিয়ে খুব একটা অসুবিধাতেও পড়েননি বলে জানান। উল্টে অ্যাডভেঞ্চার শেষের সময় খারাপই লাগছিল ওই এয়ারস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের।
রুডিগার কোচ। বয়স ৫৯। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। ৩০ বর্গমিটার একটি ডুবোজাহাজের কক্ষে টানা ১২০ দিন ছিলেন তিনি। পানামা উপকূল থেকে ১৫ মিনিট দূরত্বে থাকা ডুবোজাহাজের কক্ষটি থেকে দেখেন এক অন্য পৃথিবীকে। জলের তলার পৃথিবী। যেখানে সবকিছু শান্ত। সবকিছু নিজেদের মতো করে বাঁচছে। ১২০ দিন তা চাক্ষুস করার সুযোগ হয় তাঁর।
মাত্র ৩০ বর্গমিটার। সমুদ্রের অনেকটা নীচে। কীভাবে আলো, পানীয় জল পৌঁছত তাঁর কাছে? সবটাই হত সোলার প্যানেলের মাধ্যমে। ১২০ দিনের প্রতিটি দিন তাঁকে এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাঁচতে সাহায্য করেছে সৌর বিদ্যুত। সকলকে অভয় দিয়ে তিনি জানান, অত্যাধুনিক সমস্ত ব্যবস্থা ওই কোচটিতে ছিল। টয়লেট, টিভি, কম্পিউটার। কোনও সমস্যা হয়নি তাঁর। ছিল এক্সারসাইজ করার বাইকও। ফলে শরীরচর্চাও হয়েছে নিয়মমাফিক।
এর আগে এই রেকর্ড ছিল আমেরিকার জোসেফ ডিটুরির। তিনি ১০০ দিন ডুবোজাহাজে থেকেছেন টানা। সেই রেকর্ডই নতুন বছরে ভাঙলেন রুডিগার। কেমন ছিল অভিজ্ঞতা? রুডিগারের কথায়, 'দারুণ অ্যাডভেঞ্চার। ভীষণভাবে উপভোগ করেছি। বেরনোর সময় মন খারাপই হচ্ছিল।'
তিনি আরও বলেন, 'এই অভিজ্ঞতার ফলে যা বুঝলাম জলের তলায় মানুষ থাকতে পারে চাইলে। সেখানেও বসতি গড়ে উঠতে পারে। ভীষণ শান্ত জায়গা। সাগরের রূপ সেখানে অনেকটা আলাদা। রাতে ঝলমল করে উঠত সবকিছু।'
বিশ্ব রেকর্ড গড়ে সাগরে লাফিয়ে তা উদযাপন করেন তিনি। পরে একটি নৌকা তাঁকে সেখান থেকে পাড়ে নিয়ে যায়।