নিজের অভিজ্ঞতা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন যুবক। মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও (Delivery agent viral video), যা নিয়ে নেটপাড়ায় তুমুল আলোচনা।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 17 January 2026 17:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গভীর রাত! সময় তখন প্রায় আড়াইটে। এমন সময় একটি অর্ডার নিয়ে গ্রাহকের বাড়ির সামনে পৌঁছন জোম্যাটোর ডেলিভারি এজেন্ট অঙ্কুর ঠাকুর (Zomato delivery incident)। গ্রাহককে বলেছিলেন নীচে নেমে অর্ডার নিয়ে যেতে, কিন্তু তাঁর অনুরোধ সত্ত্বেও গ্রাহক নীচে নামতে রাজি না হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়। আর শেষপর্যন্ত অঙ্কুর ক্ষোভে গ্রাহকের অর্ডার করা খাবার খেয়ে ফেলেন, এমনই দাবি করে নিজের অভিজ্ঞতা তিনি শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও (Delivery agent viral video), যা নিয়ে নেটপাড়ায় তুমুল আলোচনা।
অঙ্কুর তাঁর ভিডিওতে জানান, রাতের সেই ঠান্ডায় দূরদূরান্ত থেকে খাবার পৌঁছে দিতে যথেষ্ট কষ্ট করতে হয় ডেলিভারি কর্মীদের। তাই গ্রাহকের কাছে তাঁর একমাত্র অনুরোধ ছিল, নীচে এসে অর্ডারটি নিয়ে যান। কিন্তু গ্রাহক ব্যালকনি থেকে চিৎকার করে তাঁকে বলেন, যেহেতু তিনি খাবারের দাম দিয়েছেন, তাই ডেলিভারি বয়কেই দরজায় গিয়ে অর্ডার দিয়ে আসতে হবে (Customer refuses to come downstairs)।
ডেলিভারি কর্মী ওই যুবক জানান, এত রাতে তিনি নিজের বাইক রাস্তায় ফেলে রেখে উপরে উঠতে চাননি (Late-night delivery dispute)। তাঁর আশঙ্কা ছিল, নির্জন সময়ে বাইক চুরি হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, রাতবিরেতে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ডেলিভারি করতে গিয়ে তাঁদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়, তাই গ্রাহকদেরও বিষয়টা বোঝা উচিত।
অভিযোগ, গ্রাহক নাকি তাঁকে হুমকি দেন, অর্ডার উপরে এসে পৌঁছে দিন, নাহলে ক্যান্সেল করুন। তাই অঙ্কুর সিদ্ধান্ত নেন, অর্ডারটি ক্যান্সেল করে দেবেন। এরপর ভিডিওতেই তাঁকে দেখা যায় বাক্স খুলে একটি গুলাব জামুন খেতে খেতে বলছেন, “অর্ডার ক্যান্সেল করেছি, এখন এখানেই খাচ্ছি (Zomato rider eats order)। অর্ডারে থাকা বিরিয়ানিটাও খাব।”
১ জানুয়ারি পোস্ট করা ভিডিওটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে এখন পর্যন্ত ১২ লক্ষেরও বেশি ভিউ পেয়েছে। মন্তব্যের বন্যা বয়ে গিয়েছে পোস্টে। কেউ লিখেছেন, “ডোরস্টেপ ডেলিভারি মানেই দরজায় গিয়ে খাবার দিতে হবে। গ্রাহকরা অতিরিক্ত চার্জ দেন এই সুবিধার জন্য।” অনেকে আবার অঙ্কুরের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে বলেন—“তুমি ঠিকই করেছ, এত রাতে উপরে যাওয়ার দরকার নেই।”
একজন মন্তব্য করেন, “গেটেই রেখে চলে যাওয়া উচিত ছিল।” আরেকজনের যুক্তি, “কোম্পানির নীতি আগে দেখে নেওয়া উচিত।” তবে ডেলিভারি বয়কে সমর্থন করেও অনেকে লিখেছেন, “রাতের বেলায় নিরাপত্তার ঝুঁকি নেওয়া যায় না।” আরেকজন বলেন, “অর্ডার ক্যান্সেল করাটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।”