Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

ঘড়ির যত্ন নিন

দীর্ঘদিন ধরে পরার ফলে হাতঘড়িটি বেশ অপরিষ্কার দেখায়। স্ক্র্যাচ বা ডেন্টিং ওঠাতে রিস্টওয়াটি দোকানে নিয়ে গেলে গাদা গাদা টাকা খরচা হবে। তাই জেনে নিন কীভাবে ঘড়ির যত্ন নেবেন।

ঘড়ির যত্ন নিন

শেষ আপডেট: 28 November 2023 15:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৌবাজারে ভীম চন্দ্র নাগের দোকানে মিষ্টি খেতে এসেছেন সাহেব। বিখ্যাত ঘড়ি কোম্পানি ‘কুক অ্যান্ড কেলভি’-র বড়সাহেব। মিষ্টি খেয়ে দারুণ প্রশংসা করে বড়সাহেব বললেন, ‘বাবু তুমি এত ভাল মিষ্টি বানাও, তোমার দোকানে একটাও ঘড়ি নাই কেন।’ ভীম নাগ অপ্রস্তুত হয়ে বলেছিলেন ‘কেনা হয়নি।’ সেই বড়সাহেব তখন খাস তাঁর কোম্পানি ‘কুক অ্যান্ড কেলভি’-র তৈরি ঘড়ি পাঠিয়েছিলেন ভীম নাগের দোকানে। সেই সময় দোকানের কর্মচারীদের যাতে সময় দেখতে অসুবিধা না হয়, সে জন্য খাস লন্ডন থেকে বাংলা হরফে লেখা ডায়াল তৈরি হয়ে এসেছিল। সে ঘড়ি এখনও বউবাজারের দোকানের দেওয়ালে শোভা বর্ধন করছে ঘড়ির মাঝখানে কুক অ্যান্ড কেলভি-র নামটাও বাংলাতেই লেখা আছে।

এই ঘড়ির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বহু পুরনো। দেওয়াল ঘড়ি হোক বা ভাল ব্র্য়ান্ডের হাতঘড়ি বা রিস্ট ওয়াচ, ঘড়িপ্রেমীর সংখ্যা কম নেই। কুক অ্যান্ড কেলভি অব লন্ডনের শুরুটা কিন্তু কলকাতা শহরেই। ১৮৫৮ সালে রবার্ট টমাস কুক এবং চার্লস কেলভি কোম্পানিটার পত্তন করেন।  ঘড়ির কেস আর ডায়াল তখন তৈরি হয়ে আসত লন্ডন থেকে। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি আর সুইৎজারল্যান্ডে তখন একের পর এক নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছেন ঘড়ি নির্মাতারা। যাঁরা পুরনো ঘড়ি সংগ্রহ করেন, তাঁদের এইসব কাহিনি কণ্ঠস্থ।

এবার আসা যাক ঘড়ির যত্নের প্রসঙ্গে। এখনকার দিনে নানা ব্র্যান্ডের নানারকম ডিজাইনের রিস্ট ওয়াচ বেরিয়ে গেছে। যেমন তাদের ডিজাইন, তেমনই দাম। তাই ঘড়ির তেমনভাবে যত্ন না নিলেই মুশকিল। তাড়াহুড়োর ফলে হামেশাই ধাক্কা লেগে রিস্টওয়াচে ডেন্ট পড়ে যায়। আবার দীর্ঘদিন ধরে পরার ফলে হাতঘড়িটি বেশ অপরিষ্কার দেখায়। স্ক্র্যাচ বা ডেন্টিং ওঠাতে রিস্টওয়াটি দোকানে নিয়ে গেলে গাদা গাদা টাকা খরচা হবে। তাই জেনে নিন কীভাবে ঘড়ির যত্ন নেবেন।

সঙ্গে রাখুন যত্নে

অনেকেই ব্র্যান্ডের ঘড়ি কেনেন বেশি। হাতঘড়ি ব্যবহার শেষে চেষ্টা করুন ভালভাবে মুছে বক্সের ভেতর রেখে দিতে। যদি হাতে না পরেন তাহলে চেষ্টা করবেন ট্রাভেল করার সময়ে বক্সে ভরে নিয়ে যেতে। এতে ঘড়ির ডায়ালে স্ক্র্যাচ পড়বে না।

 

পরুন, পরিষ্কারও করুন

রিস্টওয়াচের স্টিল ব্যান্ড পরিষ্কার করাটা মুখের কথা নয়। প্রথমে ঘড়ির থেকে ব্যান্ডটা খুলে নিন। এর পর মাইল্ড ডিটারজেন্ট মেশানো জলে তা খানিক ক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। দেখবেন ব্যান্ডের ময়লা দাগছোপ উঠে গিয়েছে। কড়া দাগ ওঠাতে টুথব্রাশ দিয়ে ব্যান্ডটি ঘষুন। এর পর রানিং ওয়াটারে ব্যান্ডটি ধুয়ে নিন।

 লেদার ব্যান্ডের দাগছোপ ওঠাতে ডিটারজেন্টের বদলে ভিনিগার মেশানো জল ব্যবহার করতে পারেন।

ঘড়ির ডায়ালে আঁচড়

মসৃণ কাপড়ের টুকরোতে সামান্য টুথপেস্ট মাখিয়ে রিস্টওয়াচের স্ক্র্যাচের উপর আলতো করে ঘষুন। এটা প্রতি দিন নিয়ম করে করলে ধীরে ধীরে স্ক্র্যাচ মিলিয়ে যাবে।  অনেক সময় ধাক্কা লেগে ঘড়িতে ডেন্ট পড়ে যায়়। ডেন্ট ওঠাতে নেল পলিশ ব্লক ব্যবহার করুন।


```