স্টার্ট আপ সংস্থার কর্ণধার রাহুল আরেপাকা লিংকডিনে একটি পোস্ট করে অফিসের এই নতুন সদস্যকে পরিচয় করিয়ে দেন। পোস্টে লেখা হয়, 'আমাদের নতুন সদস্য ডেনভার- চিফ হ্যাপিনেস অফিসার (Chief Happiness Officer Golden Retriever Denver)।

গোল্ডেন রিট্রিভার ডেনভার
শেষ আপডেট: 29 May 2025 20:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হায়দরাবাদের একটি স্টার্টআপ সংস্থা- হারভেস্টিং রোবোটিক্সে খুশির হাওয়া। সদ্য এই অফিসে যোগ হয়েছে এক বিশেষ সদস্য। গোল্ডেন রিট্রিভার, ডেনভার (Golden Retriever Denver), এখন অফিসের চিফ হ্যাপিনেস অফিসার (Chief Happiness Officer)।
স্টার্ট আপ সংস্থার কর্ণধার রাহুল আরেপাকা লিংকডিনে একটি পোস্ট করে অফিসের এই নতুন সদস্যকে পরিচয় করিয়ে দেন। পোস্টে লেখা হয়, 'আমাদের নতুন সদস্য ডেনভার- চিফ হ্যাপিনেস অফিসার (Chief Happiness Officer Golden Retriever Denver)। কোড লেখে না, চিন্তাও করে না। শুধু আসে, ঘুরে বেড়ায় আর সকলের মন ভাল রাখে। এখন থেকে আমাদের অফিস অফিসিয়ালি পেট-ফ্রেন্ডলি।'
হারভেস্টিং রোবোটিক্স এমন এক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে যা লেজারের সাহায্যে আগাছা দমন করে কৃষকদের ফসল ফলাতে এবং তার সংরক্ষণে সাহায্য করে। রাহুল জানান, অফিসে ডেনভারকে আনা এবং অফিসকে পেট-ফ্রেন্ডলি ঘোষণা করা তাদের জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত।
এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। বহু মানুষ কমেন্টে ডেনভারকে ভালবাসা জানিয়েছেন। একজন লেখেন, 'সিএইচও দেখছি সবাইকে খুশি রাখার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ক্লান্ত।' আর একজন লিখেছেন, '৪ টে পা, ০ স্ট্রেস, কিন্তু পজিটিভ ভাইব ১০০ শতাংশ। অসাধারণ উদ্যোগ।' কমেন্টে আবার অনেকেই অন্য সংস্থাগুলিকেও একই পথে এগোনোর পরামর্শ দেন। তাদের কথায়, 'এইরকম সিএইচও সব অফিসেই প্রয়োজন।' বিশ্বজুড়ে এখন অনেক অফিসই পেট-ফ্রেন্ডলি হচ্ছে। কারণ, এতে কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে, কাজের উৎসাহ বাড়ায়। অ্যামাজন, গুগল, জ্যাপোজের মতো সংস্থাগুলি অনেকদিন আগে থেকেই তাদের অফিসে পোষ্য নিয়ে এসেছে।
হিউম্যান অ্যানিমাল বন্ড রিসার্চ-এর (HABRI) এক সমীক্ষা বলছে, যে সমস্ত অফিসে পোষ্য রয়েছে সেখানে ৮৭ শতাংশ কর্মী সংস্থায় বেশিদিন থাকেন। ৯১ শতাংশ কর্মী বলেছেন, পোষ্যের কারণে তাদের কাজের প্রতি আরও মনোযোগ তৈরি হয়। অফিসের ভিতরে পোষ্যদের উপস্থিতি যে শুধু মন ভাল রাখে তা নয়, অফিসের পরিবেশকেও আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলে।
জেনে নিন কর্মক্ষেত্রে পোষ্য থাকলে কী কী সুবিধা হয়?
কাজের ফাঁকে পোষ্যদের সঙ্গে সময় কাটালে নিজেকে ফ্রেশ মনে হবে। মানসিকভাবে চাপটা অনেকটাই কমবে। এরফলে কাজের গতি বাড়বে।
অনেকেই এমন আছেন যাঁদের পোষ্য আছেন, কিন্তু তাঁদের অবর্তমানে চারপেয়কে দেখাশোনা করার কেউ নেই। সেক্ষেত্রে যদি অফিসে তাদের নিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে কর্মক্ষেত্রে বাকি কর্মীদের মেজাজ ফুরফুরে করবে সেই পোষ্য। মালিকেরও দুশ্চিন্তা কাটবে।
কথায় বলে, পোষ্যদের কাছে মন খারাপের ওষুধ আছে। অফিসে সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে যদি কিছু সময় তাদের সঙ্গে থাকেন, তাহলে কাজ করার শক্তি জোগাবে পোষ্যরাই।