শুক্রবার থেকে সোমবার, সপ্তাহে চারদিন, দিনে প্রায় চার ঘণ্টা করে এরা থাকছে বিমানবন্দরের বিভিন্ন চত্বরে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 2 August 2025 16:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভ্রমণের আগে মানসিক চাপ? কিংবা দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি? হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এখন সেই টেনশন মুছে দিতে হাজির একদল নরম তুলতুলে সঙ্গী, চারটি প্রশিক্ষিত ‘থেরাপি ডগ’।
বিমানবন্দরের নিয়ামক সংস্থা জিএমআর গ্রুপ সম্প্রতি চালু করেছে এক অভিনব উদ্যোগ, ‘থেরাপি ডগ প্রোগ্রাম’। এই পাইলট প্রকল্পে আপাতত চারটি কুকুর রাখা হয়েছে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়ান টার্মিনালে। কুকুরগুলিকে সঙ্গ দিচ্ছেন পেশাদার হ্যান্ডলাররা।
শুক্রবার থেকে সোমবার, সপ্তাহে চারদিন, দিনে প্রায় চার ঘণ্টা করে এরা থাকছে বিমানবন্দরের বিভিন্ন চত্বরে। তবে কারও ইচ্ছের বিরুদ্ধে নয়। কুকুরদের সঙ্গে যোগাযোগ শুধুমাত্র তখনই, যখন যাত্রীরা নিজেরা আগ্রহ দেখান। এতে করে যাত্রীদের আরামবোধ বজায় থাকে, কোনওরকম অস্বস্তিও হয় না।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের প্রাণীরা মানুষের মানসিক চাপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। যাত্রার আগে বা পরে বেশ কিছু যাত্রী দুশ্চিন্তায় ভোগেন। থেরাপি ডগ তাদের কাছে একরকম মানসিক আরাম দেয়। জিএমআর সূত্রে খবর, 'প্রথম দিন থেকেই যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া দারুণ। অনেকে জানিয়েছেন, এই ছোট ছোট কুকুদের দেখে তাঁদের মন ভাল হয়ে গেছে। কেউ কেউ বলছেন, এমন উদ্যোগ যেন সব জায়গায় থাকে।'
এক যাত্রী সংবাদ সংস্থা বলেন, 'বিমান ধরার আগেই মনে হল আমি যেন ভাল থাকার দিকে এক ধাপ এগোলাম। এত সুন্দর ভাবনা, পুরো রিফ্রেশিং। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ এরকম একটি মানবিক উদ্যোগ নেওয়ার জন্য।'
যদিও এই কুকুরদের আচরণ সাধারণত শান্ত, তবুও সঙ্গে থাকছেন প্রশিক্ষিত হ্যান্ডলার, যাঁরা প্রয়োজনে সামলাবেন পরিস্থিতি। নিরাপত্তা এবং পরিষেবার মধ্যে ভারসাম্য রেখে এগোচ্ছে প্রকল্প। আগামিদিনে যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া ও লজিস্টিকস বিচার করে এই প্রোগ্রাম আরও বড় পরিসরে চালু হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।