Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: হেরেও শীর্ষে রাজস্থান! কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত কোন দুই তারকার দখলে? প্রকাশ্যে আয়-সম্পত্তির খতিয়ান, রাজ না শুভশ্রী! সম্পত্তির নিরিখে এগিয়ে কে? অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার থানাগুলোকে নির্দেশ লালবাজারের

মহাকাশে সব্জি বাগান! টাটকা লেটুস-টম্যাটো ফলাচ্ছেন চিনা নভশ্চররা

দুটি সব্জি বাগানে নাকি তাজা সব্জির ফলন হচ্ছে। এই সব্জির স্বাদও নাকি দারুণ!

মহাকাশে সব্জি বাগান! টাটকা লেটুস-টম্যাটো ফলাচ্ছেন চিনা নভশ্চররা

শেষ আপডেট: 24 October 2023 12:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাসার বিজ্ঞানীরা এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন। এবার মহাকাশে সব্জি ফলিয়ে দেখালেন চিনা নভশ্চররাও। চিনের স্পেস স্টেশনে ২০২১ সাল থেকে সব্জি ফলানোর চেষ্টা করছিলেন নভশ্চররা। সেই কাজে সাফল্য এল এ বছর। দুটি সব্জি বাগানে নাকি তাজা সব্জির ফলন হচ্ছে। এই সব্জির স্বাদও নাকি দারুণ!

শেংঝৌ-১৬ মিশনে মহাকাশে মানুষ পাঠিয়েছে চিন। এই নিয়ে পঞ্চমবার মহাকাশে মানুষ নিয়ে গেল চিনা মহাকাশযান। এবারের মিশন ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১১০জন বিজ্ঞানীর টিম পৃথিবীর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে যাবতীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করছিলেন। মহাকাশে জিরো গ্র্যাভিটি বা শূন্য মাধ্যাকর্ষণে আনাজ ফলানোই ছিল লক্ষ্য। বিজ্ঞানীরা বলছেন, টাটকা লেটুস, স্প্রিং অনিয়ন, লাল লাল চেরি টম্যাটো ফলেছে মহাকাশে।

চাঁদ-মঙ্গলে এখন যাতায়াত চলছেই। যখন খুশি চাঁদে নেমে নুড়ি-পাথর কুড়িয়ে আনতে হতে পারে। সেখানে বিশ্রামের জন্য পাকা ঘরও তোলা হবে। দরকার পড়লে মঙ্গলে ঢুঁ মেরে আসতে হতেও পারে। মোদ্দা কথা, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে গ্যাঁট হয়ে বসে থাকার দিন শেষ। মহাকাশ চষে গ্রহ-তারাদের নিত্য নতুন খবর দিতে হবে নভশ্চরদের। তার জন্য শরীর ঠিক রাখতে হবে। পুষ্টিকর খাবারও খেতে হবে। সেই পৃথিবী থেকে বয়ে নিয়ে যাওয়া বাসি খাবার চলবে না। একেবারে টাটকা ফল, আনাজ দিয়ে রান্নাবান্না হবে মহাকাশে। সে জন্য এখন চাষের কাজে মন দিচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

চাষ বললেই তো হল না, এ তো আর পৃথিবীর মাটি নয়। মহাকাশে যেখানে হাওয়া বাতাস কিচ্ছুটি নেই, মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও নেই, সেখানে চাষ করা চাট্টিখানি কথা নয়। মাটি লাগবে, জল, সার, আলো সবই লাগবে। আর মাইক্রোগ্র্যাভিটি বা শূন্য মাধ্যাকর্ষণে এমনিতেই ভেসে ভেসে থাকতে হয় নভশ্চরদের, সেখানে ফসল ফলানোর ঝক্কিও কম নয়। সেই কবে থেকেই চাষবাস নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। এতদিনে তার ফল মিলেছে। টাটকা ফসল ফলেছে মহাকাশেই।

আগে পৃথিবী থেকে যাবতীয় রসদ বয়ে নিয়ে যেতে হত নভশ্চরদের। দীর্ঘ সময় থাকার জন্য খাবার পাঠানো হত। প্যাকেটবন্দি সে সব খাবারের পুষ্টিগুণ কিছু সময় পরেই ফুরিয়ে যায়। তাই যাতে পৃথিবী থেকে রসদ বয়ে নিয়ে যেতে না হয়, সে চেষ্টাই হচ্ছে। ফসল ফলাতে গেলে মাধ্যাকর্ষণের দরকার খুব একটা পড়ে না। গাছের শিকড় মাটির নিচ অবধি নামে। তাই অসুবিধা খুব একটা নেই। বিজ্ঞানী বললেন, লাল ও নীল কৃত্রিম আলোতে গাছের ফলন ভাল হয়েছে। বিশেষ রকম পাথুরে মাটিতে বীজ পোঁতা হয়েছিল। সার ও অন্যান্য উপকরণ তার মধ্যেই ছিল। চাষের কাজ ঠিক হচ্ছে কিনা দেখার জন্য ১৮০টি সেন্সর ও ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। সেসব তথ্য পাঠানো হচ্ছিল পৃথিবীর গ্রাউন্ড স্টেশনে। চাষের কাজে এখন ভালমতোই সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।


```