তিনি বলেন, “৫২ বছর বয়সে আমার জীবনের প্রথম আয় করেছি ইউটিউব থেকে। মাত্র ছ’মাসের মধ্যে।” তাঁর চোখে-মুখে গর্ব, আনন্দ আর আত্মবিশ্বাস মুহূর্তেই ছুঁয়ে যায় দর্শকদের মন।

ভাইরাল ভিডিও
শেষ আপডেট: 27 December 2025 20:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বপ্ন পূরণের কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই (No age for dreams), এ কথার আরও একবার প্রমাণ মিলল একটি ভাইরাল ভিডিওতে। ৫২ বছর বয়সে জীবনের প্রথম রোজগার করলেন এক মহিলা, আর সেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি হতেই ভাইরাল হয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়ায় (52 year old YouTuber first income)। মেয়ের শেয়ার করা ভিডিও দেখে অনেকে লিখেছেন, "স্বপ্ন দেখতে বয়স লাগে না, সাহস লাগে।"
ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন অন্শুল পারিক। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাঁর মা হাতে ফোন নিয়ে বসে আছেন, চোখেমুখে আনন্দ আর আবেগে ভরা। মেয়ের প্রশ্ন, 'কী হল মা?' এর উত্তর দিতে গিয়েই প্রৌঢ়ার আনন্দ ধরা পড়ে, যা সেইসময় বাধ মানতে চাইছিল না। তিনি বলেন, “৫২ বছর বয়সে আমার জীবনের প্রথম আয় করেছি ইউটিউব থেকে। মাত্র ছ’মাসের মধ্যে।” তাঁর চোখে-মুখে গর্ব, আনন্দ আর আত্মবিশ্বাস মুহূর্তেই ছুঁয়ে যায় দর্শকদের মন।
ভিডিওর উপর লেখা ছিল, “স্বপ্নের কোনও বয়স নেই। শুধু পরিশ্রম লাগে, আর তিনি সেটাই প্রমাণ করলেন।” মেয়ের ক্যাপশনটিও সমান আবেগঘন, “I’m a proud daughter” অর্থাৎ আমি একজন গর্বিত সন্তান।
এই ছোট্ট ভিডিওটি শুধু একটি পরিবারের আনন্দের গল্প নয়, অনেকের কাছে এটি হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার প্রতীক। কমেন্ট বক্স ভরে গেছে শুভেচ্ছা আর ভালবাসায়। কেউ লিখেছেন, “এই ভিডিওটা দিনটা সুন্দর করে দিল। বয়স সত্যিই শুধু সংখ্যা।” আরেকজনের মন্তব্য, “সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক (inspiring viral video)। এমন উদাহরণ খুব কম দেখা যায়।” কেউ লিখেছেন, “নতুন কিছু শুরু করতে কখনও দেরি হয় না,” আবার কারও কথা, “এমন দৃশ্য প্রত্যেক মেয়ের জন্যই গর্বের।”
সবচেয়ে বড় চমক, ভিডিওটি নজর কেড়েছে ইউটিউব ক্রিয়েটর্স ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেরও। তারা মন্তব্য করেছে, “এটা সত্যিই অসাধারণ অনুপ্রেরণা। আন্তরিক অভিনন্দন! এই যাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা খুশি।”
প্রৌঢ়ার প্রথম আয় ঠিক কত, তা ভিডিওতে জানা যায়নি। তবে তাঁর মুখের খুশি বুঝিয়ে দেয়, টাকার অঙ্ক নয়, নিজের প্রচেষ্টায় অর্জনই তাঁর কাছে বড় (YouTube earnings story)। দীর্ঘদিন গৃহবধূর ভূমিকা পালন করার পর তাঁর নিজের করা উপার্জন- একটি নতুন পরিচয়, এক নতুন পথচলার শুরু।
এই ঘটনা আবার মনে করিয়ে দিল, চেষ্টা করলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। জীবন যখনই সুযোগ দেয়, নিজের মতো করে শুরু করা যায়। আর প্রথম সাফল্যের আনন্দ যে কতটা গভীর হতে পারে, সেটাও বুঝিয়ে দিলেন এই ৫২ বছরের নবীন ইউটিউবার।