এয়ারপোর্ট ডায়েরি
আলতো চুমু ছুঁইয়ে যে মেয়েটি
অন্ধকারে মিলিয়ে গেছিল
তাকে আজ ট্রান্সিট লাউঞ্জে খুঁজে পেলাম।
রানওয়ে থেকে ছুটে আসা হাওয়ায়
ভেন্ডানা ঢাকা চুল ওলোটপালোট
মারকাটারি চোখে স্থির বিদ্যুৎ।
লাল ম্যাটফিনিশ আর কোহল
বিষণ্ণতা মনে পড়ায়।
ক্যাপুচিনোর প্রস্তাব রাখতে
বিদ্যুতশিখা তাকিয়ে থাকে পলক জুড়ে
সেই মুহুর্তে পৃথিবী জ্বালানো আগুন জ্বলেছিল
থমকে যাওয়া সময় বাজিয়েছিল বিটোভেন।
তারপর সুর মিলিয়ে গেছে দিগন্তরেখায়
সে খবর আজ আর কেউ রাখেনি।
সিরিয়া
এক জন্ম পেরিয়ে যখন থামতে চাইলাম,
এক টুকরো জমিও আর খালি নেই।
একফালি চাঁদ জড়িয়ে কাঁদতে চাইলাম,
এক মুসাফির কোথায় উড়িয়ে নিয়ে গেল?
যে আজান পরিত্রান দিয়েছিল
যে পবিত্র জলে হাত ধুয়েছিলাম
যে রাস্তা ঢাকা ছিল চাঁপাফুলে
যে আমি ওড়নায় চুল ঢেকেছিলাম
আজ বাস্তুহারা শূন্য, দিগ্বিদিকহীন।
আজ পবিত্র দিনে হে মুর্শিদ
ভালোবাসা দিও,
যেভাবে শিশির ঢেকে দেয় ঘুমন্ত শিউলি।
দয়া দিও,
যেভাবে মন ছুঁয়ে যায় হলুদ পালক।