
শেষ আপডেট: 9 May 2019 06:36
চোখের বালিতে খেলা করে হরিণীরা,
নৌকাডুবির ঢেউ এসে লাগে ক্ষুরে।
রতনের সাথে যোগাযোগ মুছে দিয়ে,
পোস্টমাস্টার সরে যায় বহু দূরে।
হঠাৎ বিপদে একা হয়ে যাওয়া ঠোঁটে,
অমলের নাম ভেসে ওঠে ধুম জ্বরে।
আগুনে পোড়ানো চিঠির ভস্ম থেকে,
[caption id="attachment_102679" align="alignright" width="183"]
25 e boisakh[/caption]
স্মৃতি উড়ে যায় বাতাসের ডাকঘরে।
খাঁচার পাখিকে গিলে খায় নীরবতা,
বনের পাখিরও নিভে নিভে আসে দিন।
'ভালবেসে সখী নিভৃতে যতনে...' লোকের,
বেড়ে যায় শুধু ঘরে বাইরের ঋণ।
রক্তকরবী আহরণ শেষ হলে,
তাদের দু'চোখে ঘুম হয়ে নেমো রাতে...
দেনা পাওনার গণ্ডি পেরিয়ে যারা,
দাঁড়িয়ে রয়েছে শেষের কবিতা হাতে।
ক্রমে বড় হওয়া বাতিল তাসের দেশে,
যুক্তি কোথায়? অচলায়তন-ই স্থায়ী।
বিকেল না চেনা ছেলেমেয়েদের কাছে,
কাবুলিওয়ালারা ইদানীং আততায়ী।
নিজের দু'কাঁধে আঘাতের বোঝা তুলে,
যে আছ যেখানে, বারোমাস ভাল থাকো।
জেনো পৃথিবীতে মনখারাপের শেষে,
ভাঙা মানুষের ঠাঁই আজও জোড়াসাঁকো।