Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

ঘন নীল জলে ভাসছে সবুজ হিমশৈল, লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বাঁচিয়ে চলেছে পৃথিবীকে

রূপাঞ্জন গোস্বামী পৃথিবীর সব থেকে আকর্ষণীয় মহাদেশ সম্ভবত অ্যান্টার্কটিকা। বিশ্বের শীতলতম ও শুষ্কতম মহাদেশ, যেখানে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু অবস্থিত। দক্ষিণ মহাসাগর দিয়ে ঘেরা এই মহাদেশে লুকিয়ে আছে কতশত অজানা রহস্য। যার সন্ধানে ছুটে গেছেন রবার্ট ফ্

ঘন নীল জলে ভাসছে সবুজ হিমশৈল, লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বাঁচিয়ে চলেছে পৃথিবীকে

শেষ আপডেট: 8 April 2020 05:57

রূপাঞ্জন গোস্বামী
পৃথিবীর সব থেকে আকর্ষণীয় মহাদেশ সম্ভবত অ্যান্টার্কটিকা। বিশ্বের শীতলতম ও শুষ্কতম মহাদেশ, যেখানে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু অবস্থিত। দক্ষিণ মহাসাগর দিয়ে ঘেরা এই মহাদেশে লুকিয়ে আছে কতশত অজানা রহস্য। যার সন্ধানে ছুটে গেছেন রবার্ট ফ্যালকন স্কট, আমুন্ডসেনের মত প্রবাদপ্রতিম অভিযাত্রী থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শত শত বিজ্ঞানী। কয়েক কিলোমিটার পুরু বরফের চাদরে মহাদেশটির ৯৮ ভাগ অংশ ঢাকা পড়ে আছে। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করে − ১০° সেলসিয়াস থেকে −৬৩° সেলসিয়াসের মধ্যে। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সূর্য দেখতে পাওয়া যায় না। শুধুমাত্র মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত, গোধূলির মতো সামান্য আলো পাওয়া যায়। [caption id="attachment_206189" align="aligncenter" width="1024"] অ্যান্টার্কটিকা[/caption] অ্যান্টার্কটিকার ভয়াবহ ঠাণ্ডার সঙ্গে লড়াই করতে পারে যে সব উদ্ভিদ ও প্রাণী, তারাই অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে টিকে থাকতে পারে। এই সব উদ্ভিদ ও প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে, খুনে তিমি, পেঙ্গুইন, সিল, কুমেরু চিংড়ি, কৃমি জাতীয় প্রাণী এবং বিভিন্ন প্রকার শৈবাল। এছাড়াও অ্যান্টার্কটিকাতে আছে প্রায় ১০০০ প্রজাতির ছত্রাক ও অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম।। এ হেন অ্যান্টার্কটিকার বেশ কিছু রহস্য বিজ্ঞানীরা উন্মোচন করতে পারলেও, একটা রহস্য তাঁদের ভাবিয়ে চলেছিল প্রায় একশো বছর ধরে। সেটি হল অ্যান্টার্কটিকার 'পান্না সবুজ হিমশৈল'। তাঁদের অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছিল, এই হিমশৈলগুলির রঙ সবুজ কেন! [caption id="attachment_206190" align="aligncenter" width="800"] সবুজ হিমশৈল[/caption]
কীভাবে তৈরি হয় অ্যান্টার্কটিক হিমশৈল!
অ্যান্টার্কটিকার স্থলভাগে প্রবল তুষারপাতের ফলে তৈরি হয় শক্ত বরফের বিরাট চলমান স্তুপ বা হিমবাহ (Glacier)। নিজেদের ওজনের ভারে এবং মাধ্যাকর্ষণের টানে হিমবাহগুলি ধীরগতিতে, অ্যান্টার্কটিকার স্থলভাগের ঢাল বেয়ে সমুদ্রের দিকে এগোতে শুরু করে। তবে হিমবাহের বরফ এত পুরু হয় এবং হিমবাহের গতি এতই স্লথ, সেটি যে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে তা খালি চোখে দেখে বোঝা যায় না। এই হিমবাহগুলি স্থলভাগ থেকে পিছলে একসময় সমুদ্রের জলে গিয়ে পড়ে। সমুদ্রে পড়ার পর হিমবাহগুলি টুকরো টুকরো হয়ে যায়। একফলে সমুদ্রে ভাসতে থাকে অসংখ্য অতিকায় বরফ খণ্ড, লক্ষ লক্ষ টন বরফ নিয়ে। এই বরফ খণ্ডগুলির নামই হিমশৈল (Ice Berg)। এই হিমশৈলগুলির ৯ ভাগের মাত্র ১ ভাগ থাকে জলের উপরে, বাকি ৮ ভাগ থাকে জলের নীচে। এ রকমই এক হিমশৈলে ধাক্কা খেয়ে ১৯১১ সালে ডুবে গিয়েছিল বিখ্যাত জাহাজ টাইটানিক। প্রাণ হারিয়েছিলেন দেড় হাজারেরও বেশি যাত্রী। বিশুদ্ধ বরফ হয় হালকা নীল রঙের, কারণ সেগুলি সূর্যরশ্মির লাল রঙ শোষন করে ও নীল রঙের প্রতিফলন ঘটায়। তাই অ্যান্টার্কটিকার সমুদ্রে ভাসতে থাকা বেশির ভাগ হিমশৈলের রঙ হয় হালকা নীল, নয়ত সাদা। কিন্তু প্রায় একশো বছর আগেই সাগর দাপিয়ে বেড়ানো অনেক অভিযাত্রী তাঁদের লেখায় জানিয়ে গিয়েছিলেন, অ্যান্টার্কটিকার পূর্ব দিকের সমুদ্রে ভেসে বেড়াচ্ছে, সবুজ হিমশৈলের দল। তাঁদের হিসাবে প্রতি ১০০০ হিমশৈলের মধ্যে একটি হিমশৈলের রঙ হয় 'পান্না' সবুজ। [caption id="attachment_206191" align="aligncenter" width="900"] সাধারণ হিমশৈল[/caption]
কিন্তু এই হিমশৈলগুলির রঙ সবুজ কেন!
এই প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার জন্য বিজ্ঞানীরা একশো বছর আগেই গবেষণা শুরু করেছিলেন। আগেকার বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল অ্যান্টার্কটিকার সমুদ্রে থাকা আণুবীক্ষণিক সবুজ উদ্ভিদ লেগে থাকে হিমশৈলগুলির গায়ে, তাই সবুজ হিমশৈল সৃষ্টি হয়। কিন্তু নানা বিজ্ঞানী নানা মত পোষণ করায় স্থির সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। রহস্যটি রহস্য হয়েই ছিল মাত্র একবছর আগে পর্যন্তও। অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া ইউনিভার্সিটির সমুদ্রবিজ্ঞানী লরা হেরেইজ অ্যান্টার্কটিকা অভিযানে জ্ঞিয়েছিলেন। অ্যান্টার্কটিকা পৌঁছে আমেরি আইস সেলফের বরফে থাকা লোহার পরিমাণ পরীক্ষা করেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন সেই বরফের মধ্যে হিমবাহের বরফের তুলনায় প্রায় ৫০০ গুণ বেশি লোহা ছিল। লরার হেরেইজের সেই পরীক্ষাটির ফলাফল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির হিমবাহবিদ, স্টিফেন ওয়ারেনের গুরু মস্তিষ্কে। সবুজ হিমশৈল রহস্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছিলেন সদলবলে। অ্যান্টার্কটিকা পৌঁছে সটান পর্বতারোহণের সরঞ্জাম নিয়ে উঠে পড়েছিলেন একটি প্রকাণ্ড হিমশৈলের মাথায়। যার রঙ ছিল সবুজ। হিমশৈলের শিখরে উঠে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন বিজ্ঞানী ওয়ারেন। না, হিমশৈলের গাঢ় সবুজ রঙ দেখে ওয়ারেন অবাক হননি। তিনি অবাক হয়েছিলেন হিমবাহটির স্বচ্ছতা দেখে। অন্য হিমশৈলের বরফের ভেতরে দৃষ্টি যায় না, ভেতরে বাতাসের বুদবুদ থাকায়। কিন্তু পান্না সবুজ হিমবাহটি ছিল কাচের মতো স্বচ্ছ এবং সবুজ হিমশৈলটির ভেতর কোনও বাতাসের বুদবুদ ছিল না। ওয়ারেন তখনই বুঝেছিলেন, সেটি সাধারণ কোনও হিমশৈল নয়। [caption id="attachment_206192" align="alignnone" width="1024"] বিজ্ঞানী স্টিফেন ওয়ারেন।[/caption]
নিজের প্রথম তত্ত্ব নিজেই খারিজ করেছিলেন বিজ্ঞানী ওয়ারেন
সমুদ্রের জল দূষিত হয়ে ওঠে জলে দ্রবীভূত জৈব কার্বন, বহু আগে মৃত সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণীর আণুবীক্ষণিক দেহাবশেষের জন্য। ওয়ারেন ও তাঁর দলের গবেষকরা প্রথমে ভেবেছিলেন সমুদ্রের জলের অশুদ্ধতাই হিমশৈলটির সবুজ রঙের জন্য দায়ী। দূষিত জল জমে বরফ হয়ে গিয়ে সবুজ হিমশৈলটি তৈরি করেছে। কারণ জল বিশুদ্ধ হলে সাধারণত নীল রঙের বরফ তৈরি হয়। ওয়ারেনরা ভেবেছিলেন, বরফে মিশে যাওয়া জৈব কার্বন ছিল হলুদ রঙের। হলুদ জৈব কার্বন আর বরফের নীল রঙ মিশে হিমশৈলটির সবুজ রঙ তৈরি করছে। কিন্তু নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই ভুল প্রমাণিত করেছিলেন বিজ্ঞানী ওয়ারেন। এই অভিযানে ওয়ারেন আর তাঁর সহযোগী গবেষকরা দেখেছিলেন সবুজ ও নীল হিমশৈলে একই পরিমাণ জৈব কার্বন আছে। সেই হিসাবে সব হিমশৈলেরই সবুজ রঙ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি, সুতরাং অন্য কোনও কারণে হিমশৈলের রঙ পান্না সবুজ হয়েছে। [caption id="attachment_206194" align="alignnone" width="1024"] অ্যান্টার্কটিকায় সবুজ হিমশৈল নিয়ে গবেষণারত ওয়ারেনের টিম।[/caption]
অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিজ্ঞানী ওয়ারেন এনেছিলেন তাঁর দ্বিতীয় তত্ত্ব
ওয়ারেন ও তাঁর টিমের সদস্যরা আবিস্কার করেছিলেন, সবুজ হিমশৈল তৈরি হয়েছে সমুদ্রের জল জমে হওয়া বরফ বা মেরিন আইস দিয়ে। স্থলভাগের হিমবাহের বরফ বা গ্লেসিয়ার আইস দিয়ে সবুজ হিমশৈল তৈরি হয়নি। এই মেরিন আইস স্বচ্ছ এবং তার মধ্যে বাতাসের বুদবুদ থাকে না, ফলে মেরিন আইস সূর্যের আলো ফিরিয়ে দিতে পারে না। বিজ্ঞানী ওয়ারেনের মতে, হিমশৈলের সবুজ রঙ হওয়ার পিছনে আছে আয়রন অক্সাইড। মাটি এবং পাথরে, হলুদ, কমলা, লাল ও বাদামি রঙের আয়রন অক্সাইড পাওয়া যায়। হিমশৈলের বরফে লোহার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে হিমশৈলের আলো প্রতিফলনের ক্ষমতা। আবার এই আলোর প্রতিফলনের উপরই নির্ভর করে হিমশৈলের রঙ। হিমশৈল সূর্যের যে রঙের রশ্মিটিকে প্রতিফলিত করে, হিমশৈলটিকে দেখতে সেই রঙের হয়। [caption id="attachment_206195" align="aligncenter" width="768"] হিমশৈলের সবুজ রঙের পিছনে আছে আয়রন অক্সাইড।[/caption] কিন্তু এখানেও ওঠে প্রশ্ন, সমুদ্রের জলে সাধারণত লোহার অভাব থাকে। তাহলে সামুদ্রিক বরফে এত আয়রন অক্সাইড আসছে কোথা থেকে! বিজ্ঞানী ওয়ারেন 'দ্য জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চ' পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর গবেষণা পত্রে লিখেছিলেন, এই আয়রন অক্সাইড সমুদ্রে আসছে অ্যান্টার্কটিকার স্থলভাগ থেকে। অ্যান্টার্কটিকার স্থলভাগের হিমবাহগুলি অ্যান্টার্কটিকার পাথুরে মেঝেতে (bedrock) ঘষা খেতে খেতে সমুদ্রের দিকে এগোয়। ঘর্ষণের ফলে পাথরের পাউডার তৈরি হয়, যাকে বলা হয় 'গ্লেসিয়াল ফ্লাওয়ার'।এই গ্লেসিয়াল ফ্লাওয়ারে মিশে থাকে প্রচুর পরিমাণ আয়রন অক্সাইড। হিমবাহগুলি ভেঙে বরফ খন্ড হয়ে সমুদ্রে এসে পড়ার, লালচে-হলুদ রঙের 'গ্লেসিয়াল ফ্লাওয়ার', সমুদ্রের জলে মিশে যায়। এরপর সমুদ্রের জল জমে সামুদ্রিক বরফ বা মেরিন আইস তৈরি হলে 'গ্লেসিয়াল ফ্লাওয়ার' সেই বরফে ঢুকে পড়ে। ফলে সামুদ্রিক বরফ দিয়ে তৈরি হিমশৈলে 'গ্লেসিয়াল ফ্লাওয়ার' মিশে যায়। লোহা মিশে থাকা পাউডারটির রঙ লালচে-হলুদ এবং বরফের রঙ হালকা নীল হওয়ায়, নীল আর লালচে-হলুদ রঙ মিলে তৈরি করে হিমশৈলের সবুজ রঙ।
রঙের রহস্য ভেদ করতে গিয়ে হয়েছিল এক যুগান্তকারী আবিস্কার
আণুবীক্ষণিক সবুজ উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি উপাদান হচ্ছে লোহা। আবার এই আণুবীক্ষণিক উদ্ভিদকে খেয়েই বেঁচে থাকে সমুদ্রের বেশিরভাগ প্রাণী। কিন্তু সমুদ্রে লোহার পরিমাণ খুবই কম। তাই প্রকৃতির আপন খেয়ালে দক্ষিণ মেরুর মূল স্থলভাগ থেকে টন টন লোহা ফেরি করে উন্মুক্ত সমুদ্রে নিয়ে আসে এই সবুজ হিমশৈলগুলি। 'পান্না সবুজ' হিমশৈলগুলি সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে একসময় গলে যায়। সাগরের জলে মিশে যায় লোহা। লোহা পেয়ে বাঁচে আণুবীক্ষণিক সবুজ উদ্ভিদ, তাদের সংখ্যা বাড়লে, সুরক্ষিত থাকে সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খল, বাঁচে জৈব বৈচিত্র। গবেষণা পত্রের শেষে তাই বিজ্ঞানী ওয়ারেন বলেছেন, "একশো বছর ধরে সবুজ হিমশৈলের রঙের উৎস নিয়ে আমরা অ্যান্টার্কটিকা তোলপাড় করেছি। কিন্তু এখন সে সব তুচ্ছ মনে হচ্ছে। কারণ আমরা বুঝতে পেরেছি সবুজ হিমবাহগুলির অসামান্য অবদান। সমুদ্রের জীবজগতকে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে, পুষ্টি উপাদান যুগিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে এই 'পান্না সবুজ' হিমশৈলগুলিই।”

```