
শেষ আপডেট: 2 March 2024 21:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরপরই গেরুয়া খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন তাঁর ছোট ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। সৌমেন্দু তখন ছিলেন কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান। তাঁর এই ছোট ভাইয়ের মধ্যেই শুভেন্দু নিজের রাজনৈতিক ভাবনার প্রতিফলন দেখতে পান। শুভেন্দুর সুপারিশেই কাঁথি লোকসভা আসনে সৌমেন্দুকে প্রার্থী করল বিজেপি।
কাঁথিতে বর্তমান সাংসদ হলেন শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী। তিনি খাতায়কলমে এখনও তৃণমূলের সাংসদ। তবে শিশিরবাবুর বয়স হয়েছে। তিনি যে আর ভোটে দাঁড়াবেন না তা স্পষ্ট ছিল। এও স্পষ্ট ছিল অধিকারীরা কাঁথি নিজেদের দখলে রাখতে চাইবেন। সেই কারণেই সৌমেন্দু।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সৌমেন্দু খাটিয়ে ছেলে, দাদার মতো অতটা না হলেও বেশ পরিশ্রমী। ২৪ ঘণ্টা রাজনীতির মধ্যেই থাকেন। তবুও কাঁথিতে মুখ হল সৌমেন্দু, লড়বেন শুভেন্দু।
মাঝখান থেকে শুভেন্দুর মেজোভাই দিব্যেন্দু অধিকারীকে কিছুটা বলিদান দিতেই হচ্ছে। তমলুকে তৃণমূল সাংসদ হলেন দিব্যেন্দু। দাদার জন্যই জিতেছিলেন। তাই দাদা বিজেপিতে যোগ দিতেই দিব্যেন্দুকে একপ্রকার বসে যেতে হয়েছিল। বিজেপির রাজনীতিতে এক পরিবার থেকে দুজনকে টিকিট দেওয়ার খুব একটা রীতি নেই। তাই দিব্যেন্দুর ফের তমলুক থেকে টিকিট পাওয়ার আশা হয়তো ক্ষীণ। হতে পারে ২৬ এর বিধানসভা ভোটে কাঁথি আসন থেকে প্রার্থী হবেন তিনি।
তবে ভাই সৌমেন্দুকে প্রার্থী করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দিব্যেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'আমার ভাই সৌমেন্দুকে প্রার্থী করায় আমি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার ভাইয়ের উপর যেভাবে রাজ্যের শাসক দল অত্যাচার চালিয়েছে তা অবর্ণনীয়। শান্তিতে বাড়িতে থাকতে দেয়নি ওকে। এখন সৌমেন্দুকে যেভাবে সম্মান জানাল বিজেপি, তাতে আমি অত্যন্ত খুশি। আমাকে প্রার্থী করা হয়নি বলে আমার বিন্দুমাত্র দুঃখ নেই। এই আসনে আমরা বিপুলভাবে জয়ী হব। সর্বস্ব দিয়ে ওকে জেতাতে প্রচারে ঝাঁপাবো।'