
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 18 April 2024 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছর রামনবমীর দিনে রাজ্যের একাধিক জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার তদন্ত করেছে এনআইএ এবং তাতে গ্রেফতারিও হয়েছে। এবার ফের রামনবমীর দিন অশান্তির খবর সামনে এসেছে। মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে রামনবমীর মিছিলে হামলা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়ে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবারও এনআইএ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের কারণেই রামনবমীতে হিংসার ঘটনা ঘটেছে! সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এমনই দাবি করেছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, ভোটের প্রচারে এক জনসভা থেকে রামনবমী সম্পর্কে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বার্তা শুনেই হামলাকারীরা আশ্বস্ত হয়েছিল যে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হবে না। সেই প্রেক্ষিতেই শুভেন্দু রাজ্যপালকে চিঠি লিখে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে আর্জি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি চান, এনআইএ এই ঘটনায় আবার তদন্ত করুক। একই সঙ্গে, নির্বাচন কমিশনকেও বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে আবেদন করেছেন শুভেন্দু।
The Ram Navami Processions were disrupted and attacked at various places across the State of West Bengal, due to the CM's provocative speech which successfully incited miscreants, who were assured that the Law enforcement Agency won't act against them as their hands have been… pic.twitter.com/HXwJvP4Pdx
— Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) April 18, 2024
মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের এগরাতে বুধবার রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়। শক্তিপুরে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর, যাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশকর্মীও আছেন। স্থানীয়রা দাবি করেছে, পুলিশ প্রায় ২০ জনকে এই হিংসার ঘটনায় আটক করেছে। ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার থেকে শুরু করে বোমা মারার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, এগরাতেও রামনবমীর মিছিলে পাথর ছোড়ার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। সেখানে ৪ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে খবর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একাধিকজনকে আটক করে তাঁরা।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারের এক জনসভা থেকে জিভ টেনে নেওয়ার কথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মন্তব্যের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যেই আলাদা করে নির্বাচন কমিশন গেছে বিজেপি। হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁদের দাবি, জলপাইগুড়ির সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটারদের হিংসায় প্ররোচিত করেছেন। যা আদর্শ আচরণবিধির বিরুদ্ধে।