
সুকান্ত মজুমদার
শেষ আপডেট: 5 June 2024 15:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছে তৃণমূল। বাংলায় ৩০-৩৫ আসন পাবে বলে লক্ষ্যস্থির করেছিল বিজেপি। কিন্তু লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের দেখা গেছে উল্টো চিত্র। ৩০ তো দূরের কথা, ১৫ আসনের গণ্ডি পেরতে পারেনি বিজেপি। এর দায় কার? রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা বালুরঘাটে যিনি প্রার্থী ছিলেন সেই সুকান্ত মজুমদার বলছেন, ভোটের ফলের দায় তাঁকেই নিতে হবে। কিন্তু...
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের থেকেও খারাপ ফল করেছে বিজেপি। পাশাপাশি এই ভোটে হেরেছেন দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিং, নিশীথ প্রামাণিকের মতো নেতারা। সব মিলিয়ে হারের দায় সুকান্ত মজুমদার মাথা পেতে নিলেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। সুকান্তর কথায়, সব সিদ্ধান্ত তিনি নিতে পারেননি, তবে হারের দায় তাঁর। অন্য কেউ সিদ্ধান্ত নিলেও দলের খারাপ ফল হলে সমস্ত দায় তাঁকেই নিতে হবে! অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্ত কে নিচ্ছেন বা নিয়েছেন, সে ব্যাপারে কিছু খোলসা করেননি সুকান্ত মজুমদার।
গতবারের লোকসভা ভোটের সময়ে বাংলার বিজেপি রাজ্য সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেবার তাঁর নেতৃত্বেই বিজেপি ১৮টি আসন পেয়েছিল। এবার সেই দিলীপই ভোটে হেরেছেন। যদিও সেই হার মেনে নিতে পারেননি সুকান্ত। তাঁর বক্তব্য, তিনি বিশ্বাস করেছিলেন দিলীপ ঘোষ জিতবেন। তিনি সকলের সিনিয়র নেতা। কিন্তু তাঁকে হারতে হল, এটা অপ্রত্যাশিত। কেন্দ্র বদলই দিলীপের হারের কারণ, এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন সুকান্ত।
চলতি লোকসভা ভোটে আগের থেকে ৬টি কম আসন পেয়েছে বিজেপি। তার মধ্যে একাধিক জেতা আসন হারতে হয়েছে। সব মিলিয়ে নতুন করে চাপে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনে কোন কেন্দ্রে কে দাঁড়াবেন, তা অনেকটাই ঠিক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সুতরাং এখন ফলাফলের পর তাঁর ভূমিকা নিয়েও দলের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে শুভেন্দু নিজে লোকসভার এই ফলকে 'আশ্চর্যজনক' বলেছেন।
মঙ্গলবারই সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য ছিল, ''আশ্চর্য আশ্চর্য ফল বেরিয়েছে। কে কোথায় ভোট দিয়েছেন খুঁজে পাচ্ছেন না। এক একটা বুথে সব ভোট একজন নিয়ে চলে গেছে।'' বিজেপি বিধায়ক আরও দাবি করেন, পুলিশ এবং প্রশাসনকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করেছে তৃণমূল। এই ঔদ্ধত্য এবং অহংকারের পতন ঘটবেই।