
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও সাংসদ বরুণ গান্ধী
শেষ আপডেট: 10 April 2024 13:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পিলিভিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় যাননি বিদায়ী সাংসদ বরুণ গান্ধী। যাননি পড়শি এলাকা সুলতানপুরের সাংসদ মানেকা গান্ধীও। মা ও ছেলের প্রধানমন্ত্রীর জনসভা এড়িয়ে যাওয়া নিয়ে বিজেপিতে গুঞ্জনের মধ্যে পুত্র বরুণকে নিয়ে মুখ খুললেন মানেকা।
সুলতানপুরের বিজেপি সাংসদ তথা এবারের প্রার্থী মানেকার বক্তব্য, 'পিলিভিটের মানুষের মন কি বাত জানে বরুণ। ওখানকার মানুষ বরুণকে ভালবাসে।'
সেই পিলিভিটে বরুণকে এবার টিকিট দেয়নি বিজেপি। ২০০৪ থেকে মানেকা পুত্র সেখানকার সাংসদ। টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহ না করলেও পিলিভিটবাসীর উদ্দেশে লেখা খোলা চিঠিতে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন। চিঠিতে লিখেছেন, যতই বিপদ আসুক, মানুষের জন্য ন্যায়ের কথা বলে যাব।
বরুণ আসলে মোদী ও যোগী, দলের দুই মহারথীর সরকারের নানা কাজকর্ম নিয়ে বিরোধীদের সুরে বারে বারে সরব হয়েছেন। অনেক সময়ই তা কংগ্রেস নেতা তথা জ্যাঠতুতো ভাই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মিলে গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদী সরকারের, বিতর্কিত কৃষি আইন থেকে শুরু করে যোগীর পুলিশের এনকাউন্টার হত্যা, বেকারি, জিনিসপত্রের দাম নিয়ে মুখ খুলেছেন বরুণ।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বরুণের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে প্রথমে তাঁকে দলের জাতীয় কর্মসমিতি থেকে বাদ দিয়ে দেয়। এবার পিলিভিট থেকে টিকিট দেয়নি তাঁকে। তবে মানেকাকে তাঁর সুলতানপুর আসনেই ফের টিকিট দিয়েছে দল।
কিন্তু আমন্ত্রণ সত্বেও সোমবার পিলিভিটে মোদীর জনসভায় যাননি বরুণ ও মানেকা। বরুণের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে বলা হয় তিনি করোনা আক্রান্ত। যদিও বরুণ নিজে নীরব। প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাননি মানেকাও। মা ও ছেলের প্রধানমন্ত্রীর সভা এড়িয়ে যাওয়া নিয়ে বিজেপিতে জল্পনা তুঙ্গে।