.webp)
মজিদ মাস্টার।
শেষ আপডেট: 1 June 2024 17:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার ভোটে যে ক'টি তল্লাট বরাবরই খবরের শিরোনামে থেকেছে, শাসন তারই অন্যতম। ফি-বারের মতো শনিবার লোকসভা ভোটেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির সাক্ষী থাকল উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত-২ নম্বর ব্লকের এই পঞ্চায়েত।
শনিবার শেষ দফায় শাসনের ভোট 'কভার' করতে দিয়ে আক্রান্ত হলেন সংবাদ মাধ্যমের একাংশ কর্মী। যেমনটা অতীতেও হত।
অতীতে বাম আমলে শাসনের সঙ্গেই উঠে আসত আরও একটি নাম। মজিদ আলি। পেশায় শিক্ষক মজিদকে মানুষ সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা হিসেবেই চিনত। সেই সূত্রে মজিদ আলি থেকে তিনি শাসনের মজিদ মাস্টার।
শাসনের মাটিতে কান পাতলে এখনও মজিদ মাস্টারের নানা কাহিনী শোনা যায়। এক সময় ভোট তো বটেই, শাসনে বছরভর চলত মজিদের 'শাসন'। পালা বদলের পর ২০১৫ সালে সিপিএমের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন মজিদ। একসময় ভোটের দিন যিনি সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন, সেই মজিদ এখন সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেকটা দূরে।
শনিবার ভোট কেন্দ্রে দেখা গেল অশীতিপর মজিদকে। তবে আর 'শাসনে'র মাস্টারের ভূমিকায় নয়, সাধারণ ভোটারের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়ে বাড়িমুখো হলেন মাস্টারমশাই। একসময় যাঁর মুখে অনর্গল রাজনীতির কথা শোনা যেত, সেই তিনি বলছেন, "ওসব নিয়ে আর আলোচনা করতে ভাল লাগে না। চাষ বাস নিয়েই বেশ আছি!"
চব্বিশের লোকসভা ভোটে শাসনের 'সন্ত্রাস' নিয়ে কোনও মন্তব্য শোনা গেল না মজিদের কণ্ঠে। তবে বললেন, "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সকলশ্রেণির মহিলাকে নয়, শুধুমাত্র দরিদ্র মহিলাদের দেওয়া হোক।"