
Election Commission of India
শেষ আপডেট: 17 March 2024 17:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মঙ্গলবার ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী বন্ডের তথ্য জমা দিয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্য কমিশন প্রকাশ করার পরও ক্ষুব্ধ হয় সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, সম্পূর্ণ তথ্য নির্বাচন কমিশনকে দেয়নি এসবিআই। সেই ভিত্তিতে ১৮ মার্চের মধ্যে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। তার ঠিক আগে রবিবার, নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
সুপ্রিম কোর্টের অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ মেনে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য জমা দিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলি। মুখবন্ধ খামে সেই তথ্য জমা দেওয়া হয়েছিল। রবিবার সেই তথ্যই প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এক বিবৃতি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, শীর্ষ আদালতের রেজিস্ট্রির তরফে বন্ড সংক্রান্ত তথ্যের কাগজের নথি সহ ডিজিটাইজড রেকর্ডও দেওয়া হয়েছে। সেই রেকর্ডই নিজেদের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে নির্বাচন কমিশন। কী আছে সেই তথ্যে?
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতে কোন দিন বন্ড দেওয়া হয়েছে, কত টাকার দেওয়া হয়েছে, কতগুলি বন্ড ইস্যু করা হয়েছিল, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কোন ব্রাঞ্চ থেকে বন্ড ইস্যু হয়েছিল, কোন কোন রাজনৈতিক দল সেই সব বন্ড থেকে টাকা তুলেছে, এই সব উল্লেখ রয়েছে। যদিও বন্ডের 'ইউনিক নম্বর' সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি এখানে। তবে মনে করা হচ্ছে, এই তথ্য ১২ এপ্রিল ২০১৯ সালের আগের।
গত বুধবার নির্বাচনী বন্ড নিয়ে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া সুপ্রিম কোর্টকে এক হলফনামায় জানিয়েছিল, ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ২১৭টি বন্ড ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার ৩০টিই ভাঙিয়ে নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। বাকি ১৮৭টিও ভাঙানো হয়েছে এবং তার অর্থ জমা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিলে। কিন্তু বন্ড সম্পর্কিত 'ইউনিক অ্যালফা নিউমারিক নম্বর' জানায়নি স্টেট ব্যাঙ্ক। সেই তথ্যও সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায়।
এই প্রেক্ষিতে শুক্রবারই ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট যে 'ইউনিক নম্বর'-এর কথা বলছে, সেই নম্বর দাতা এবং রাজনৈতিক দলের যোগসূত্র করে দিতে ভূমিকা পালন করতে পারে। ফলে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।