
আহতদের দেখতে হাসপাতালে সায়নী অরূপ-নিজস্ব চিত্র
শেষ আপডেট: 31 May 2024 12:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাত পোহালেই ভোট। তার আগেই তেতে উঠল ভাঙড়। বৃহস্পতিবার রাত থেকে তৃণমূল ও আইএসএফের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। ভাঙড়ের ভোগালিতে বোমাবাজিতে জখম এক শিশু-সহ ৭ জন। প্রাাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় জিরানগাছা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চারজনকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে রেফার করা হয়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পৌঁছন অরূপ বিশ্বাস, সায়নী ঘোষ, শওকত মোল্লারা।
দলীয় কর্মসূচি সেরে এলাকার তৃণমূল নেতা রফিক খান কর্মীদের নিয়ে যখন বাড়ি ফিরছিল সেই সময় তাদের ওপর বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। আহত এক তৃণমূল কর্মী হাসপাতালের বেডে শুয়েই বলেন, “দলের কর্মীদের নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। ওরা আমাদের মিছিলের ওপরেই হামলা করে। প্রায় তিরিশটার মতো বোমা মেরেছে।” এই ঘটনায় আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। তাঁর অভিযোগ, “রাজনৈতিকভাবে না পেরে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো সন্ত্রাস তৈরি করছেন নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর অনুগামীদের ছোড়া বোমায় ৫ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।"
আহতদের দেখতে এসে সায়নী ঘোষ বলেন, “আইএসএফের পায়ের তলার থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। সেটা বুঝেই হামলা করছে। বাড়ি বাড়ি ভোটের স্লিপ দিতে গিয়েছিল। ষড়যন্ত্র করে এই হামলা চালানো হয়েছে।” তবে তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ। আইএসএফের বক্তব্য,তৃণমূলের লোকেরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছিল। নিজেরাই সন্ত্রাস তৈরির জন্য বোমা বাঁধছিল। সেই বোমাতেই আহত হন তাঁরা।
ভোট এলেই খবরের শিরোনামে থাকে ভাঙড়। এবার আরাবুল ইসলাম জেলে থাকলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হল না। শনিবার ভোট। তার আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় ভাঙড়ে। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শান্তি ফেরাতে এলাকায় টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।