Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

আরও ঠাণ্ডা হচ্ছে মানুষের শরীর, স্বাভাবিক তাপমাত্রার মানই বদলে গেছে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মানুষ আরও ঠাণ্ডা হচ্ছে? তাপমাত্রা কমছে শরীরের ? থার্মোমিটারে যে ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রাকে এতদিন শরীরের স্বাভাবিক তাপমান হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছিল, সেই মানই বদলে গেছে এখন। নতুন গবেষণায় এমনটাই দাবি

আরও ঠাণ্ডা হচ্ছে মানুষের শরীর, স্বাভাবিক তাপমাত্রার মানই বদলে গেছে

শেষ আপডেট: 8 August 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মানুষ আরও ঠাণ্ডা হচ্ছে? তাপমাত্রা কমছে শরীরের ? থার্মোমিটারে যে ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রাকে এতদিন শরীরের স্বাভাবিক তাপমান হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছিল, সেই মানই বদলে গেছে এখন। নতুন গবেষণায় এমনটাই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাহলে সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের শরীরের তাপমান কত হবে?  এই নিয়ে নানা প্রশ্ন, তর্ক-বিতর্ক চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সঠিক কোনটা।

শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট নেই, বলেছেন স্ট্যানফোর্ডের গবেষকরা

‘ইলাইফ’ সায়েন্স জার্নালে এই গবেষণার রিপোর্ট সামনে এনেছিলেন স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা। বলা হয়েছিল সেই উনিশ শতকে জার্মান ডাক্তার কার্ল উন্ডারলিক শরীরের যে স্বাভাবিক তাপমাত্রার কথা বলেছিলেন তার মান ছিল ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট। তবে ব্রিটিশদের শরীরের তাপমান ছিল কিছুটা কম। প্রায় ৩৫ হাজার ব্রিটিশের শরীরের তাপমাত্রা মেপে বিজ্ঞানী বলেছিলেন ব্রিটিশদের ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রা ৯৭.৮৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা বলছেন, উনিশ শতকে মানুষের শরীরের যে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ছিল একুশে এসে তাই প্রায় এক ডিগ্রি ফারেনহাইট কমে গেছে। বর্তমানে মানুষের শরীর আরও একটু ঠাণ্ডা হয়েছে। শরীরের স্বাভাবিক তাপমান এখন ৯৭.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট থেকে ৯৭.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে। মহিলারা অবশ্য আরও একটু উষ্ণ। তাঁদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইটের কাছাকাছি। শরীরের তাপমাত্রা কেন কমছে তার অনেক কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্ট্যানফোর্ডের গবেষকরা। বিজ্ঞানী ক্যাথেরিন লেই বলেছেন, আসলে এই তাপমাত্রার পরিমাপ একটা পর্যবেক্ষণ মাত্র। পরিবেশ, পরিস্থিতি, শারীরিক অবস্থা, বয়স নানা বিষয়ের উপর শরীরের তাপমান নির্ভর করে। ক্যাথেরিনের কথায়, সেই ১৮৫১ সালে জার্মান ডাক্তার ২৫-৩০ হাজার মানুষের শারীরিক তাপমাত্রা মেপে তার গড় হিসেব করেছিলেন। তখন তাপমাত্রা মাপা হত ‘আর্মপিট’ অর্থাৎ বগলের তলায় থার্মোমিটার রেখে। এখন ‘ওরাল টেম্পারেচার’ মাপা হয়, থার্মোমিটার রাখা হয় জিভের নিচে। ওরাল টেম্পারেচার সবসময়ই কিছুটা কম আসে। তাছাড়াও বর্তমান সময় নানারকম ওষুধ, হাইজিন ইত্যাদির বিষয়ের উপরেও শরীরের তাপমাত্রা বাড়া-কমা নির্ভর করে।

‘স্বাভাবিক’ তাপমাত্রা বলে আসলে কিছু নেই

গবেষকরা বলছেন, ‘স্বাভাবিক’ তাপমাত্রা নির্দিষ্ট করে কিছু হয় না। প্রত্যেক মানুষেরই নিজস্ব ‘নর্মাল টেম্পারেচার’ আছে। এই নর্মাল টেম্পারেচার কয়েকটা ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে, যেমন—বয়স, শারীরিক সক্ষমতা, রোগ এবং কী ধরনের ওষুধ খাওয়া হচ্ছে, শারীরিক পরিশ্রম কতটা ইত্যাদি। স্বাভাবিক ভাবেই তরুণ প্রজন্মের শরীরের তাপমান বয়স্কদের থেকে বেশি হবে। শারীরিক পরিশ্রম যাদের বেশি, কোনও রকম রোগ নেই, রক্ত সঞ্চালন ভাল তাদের শরীরের তাপমাত্রা বেশি হবে। দেখা গেছে মহিলাদের শরীরের তাপমান পুরুষদের থেকে বেশি। ঋতুস্রাবের উপরেও সেটা নির্ভর করে। মেনোপজ হয়ে গেছে এমন মহিলার শরীরের স্বাভাবিক তাপমান বয়ঃসন্ধির তরুণীর থেকে কিছুটা আলাদা হবেই। পরিবেশ, আবহাওয়াও বড় ফ্যাক্টর। ঠাণ্ডার সময় এমনিতেই শরীরের তাপমাত্রা কম থাকে। আবার দিনের বেলায় শরীরের যে তাপমান থাকে বেলার দিকে তা বাড়ে, রাতের দিকে আবার কমে। বয়স্ক মানুষদের অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় হাইপোথারমিয়ার মতো শারীরিক অবস্থা তৈরি হতে দেখা যায়। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা অতিরিক্ত কমে গেলে নানা অঙ্গের উপর তার প্রভাব পড়ে। বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অসাড় হতে শুরু করে। শরীরের বিভিন্ন পেশিতে টান ধরে। মস্তিষ্ক, হৃদয়, ফুসফুসের কাজকর্ম বন্ধও হয়ে যেতে পারে। এই শারীরিক অবস্থাকেই বলে হাইপোথারমিয়া।

```