
শেষ আপডেট: 4 February 2023 09:36
সেন্টারস ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ডাটার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ন’হাজার গলার ক্যানসারে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও মহিলার উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে তারা একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে ওরাল সেক্সে অভ্যস্ত। তাঁদের মধ্যে সাত শতাংশের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে এইচপিভি ১৬। গবেষকরা বলছেন, নিয়মিত ধূমপানের সঙ্গে জীবনে পাঁচের বেশি মহিলার সঙ্গে ওরাল সেক্সে লিপ্ত হন কোনও পুরুষ, তা হলে গলা, ঘাড় ও মুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

কী কী উপসর্গ দেখে সতর্ক হবেন
নিয়মিত ওরাল সেক্সের অভ্যাস থাকার পরে যদি গলায় ব্যথাহীন মাংসপিণ্ড হয় বা গ্ল্যান্ড ফুলে যায় তাহলে সতর্ক হতে হবে। খাবার খেতে সমস্যা, ঢোক গিলতে কষ্ট, ঘন ঘন কাশি এবং কাশির সঙ্গে রক্ত বের হতে পারে। এমন সব লক্ষণ দেখা গিলে ইএনটি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনিই প্রয়োজন মনে হলে ক্যানসার বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠাবেন। মাংসপিণ্ডের কোষ নিয়ে বায়োপসি করে যদি ক্যানসার ধরা পড়ে তাহলে গোড়া থেকে চিকিৎসা শুরু হলে ভাল। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এই অসুখ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
কানে ব্যথা, নাক ডাকা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়, গলার স্বরে আচমকা বদল আসে, ওজন কমতে থাকে হু হু করে।
কোন বয়সে এই রোগের ঝুঁকি বেশি?
গবেষকরা জানাচ্ছেন, মোট ১০০ ধরনের এইচপিভি-র খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে এইচপিভি ১৬ ও এইচপিভি ১৮ সার্ভিকাল ক্যানসারের কারণ হতে পারে। এইচপিভি ১৬ থেকে অরোফ্যারিঙ্গাল ক্যানসারও ছড়াতে পারে। ৩০ বছর ধরে এইচপিভি সংক্রান্ত গলার ক্যানসারের গবেষণা চালাচ্ছে ওরাল ক্যানসার ফাউন্ডেশন। তাদের সমীক্ষা বলছে, ৪০-৬০ বছর বয়সী মহিলা ও পুরুষের মধ্যে এই রোগের সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমানে দেখা গেছে, ২৫-৫৫ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে অনেক বেশি। মহিলাদের ক্ষেত্রে দুই বা তার থেকে বেশি ওরাল সেক্স পার্টনার থাকলে এই সম্ভাবনা দেড়গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।