Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

গর্ভধারণের শেষের দিকে কী কী মনে রাখবেন? পরামর্শ শহরের বিশিষ্ট গাইনোকলজিস্টের

গর্ভধারণের শেষের দিকে কী কী মনে রাখবেন, কী কী টেস্ট জরুরি, কেমন সাবধানতা, বুঝিয়ে বললেন গাইনোকোলজিস্ট ও অবস্টেট্রিশিয়ান ডা. ধ্রুবা রায়।

গর্ভধারণের শেষের দিকে কী কী মনে রাখবেন? পরামর্শ শহরের বিশিষ্ট গাইনোকলজিস্টের

শেষ আপডেট: 12 April 2024 17:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রেগন্যান্সি মানেই শরীরে রোজ পরিবর্তন। টানা ৯ মাস ধরে শরীরের ভিতরে অন্য একটা শরীরের বেড়ে ওঠা। জরায়ুর আকার বাড়তে থাকায় পেট বড় হওয়া, তার পর প্রসবের পর ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসা। এই সময় নানাবিধ বদল আসতে থাকে শরীরে। গর্ভধারণের প্রথম পর্বটা পেরিয়ে গেলে সেকেন্ড ও থার্ড ট্রাইমেস্টারে মায়েদের অনেক বেশি সাবধান থাকতে হয়। গর্ভধারণের শেষের দিকে কী কী মনে রাখবেন, কী কী টেস্ট জরুরি, কেমন সাবধানতা, বুঝিয়ে বললেন গাইনোকোলজিস্ট ও অবস্টেট্রিশিয়ান ডা. ধ্রুবা রায়।

ডাক্তারবাবু বলছেন, প্রতম ট্রাইমেস্টারে কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, মর্নিং সিকনেস ইত্যাদি। সবচেয়ে বেশি মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত কিন্তু প্রথম ট্রাইমেস্টারেই হয়। তাই এই পর্বটা পার করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের। সেকেন্ড ট্রাইমেস্টারে গিয়ে কিছুটা হাল্কা বোধ হয়। এই পর্বে খিদে পেতে থাকে, মর্নিং সিকনেস অনেকটাই কমে যায়। তবে এই পর্বে গিয়ে গর্ভস্থ ভ্রূণের বাড়বৃদ্ধি শুরু হয়। তাই সেই অনুযায়ী মাকেও তার পুষ্টির কথা মাথায় রাখতে হবে এই পর্বে গিয়ে। সেকেন্ড ট্রাইমেস্টার থেকেই ওজন বাড়তে থাকে। এই সময় মা যদি পুষ্টিকর খাবার খান ও নিয়ম মেনে চলেন তাহলে বাচ্চারও সঠিক পুষ্টি ও বৃদ্ধি হবে। এই সময় বেশি ভারী কাজ, লম্ফঝম্ফ করা, বাইরের খাবার বেশি না খাওয়াই উচিত। কারও যদি ঝুঁকিপূর্ণ প্রেগন্যান্সি হয় বা সুগার-প্রেশার-ওবেসিটি থাকে তাহলে অনেক বেশি সাবধান হতে হবে।

সেকেন্ড ট্রাইমেস্টার বলতে বোঝায় ১৩ থেকে ২৮ সপ্তাহ অবধি সময়। এই সময় কিছু টেস্ট করিয়ে নেওয়া খুব জরুরি। যেমন, প্রথম ট্রাইমেস্টারে সুগার টেস্ট করলেও সেকেন্ড ট্রাইমেস্টারে গিয়ে সুগার চেক করাতেই হবে। তাছাড়া পরিবারে যদি ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকে তাহলে ব্লাড সুগার টেস্ট করানো খুবই জরুরি। ব্লাড প্রেশার ঠিক আছে কিনা সেটাও দেখতে হবে।

এই পর্বে গিয়ে অ্যানাটমি বা অ্যানামালি স্ক্যান করাতেই হবে। ২০ সপ্তাহে গিয়ে এই টেস্ট করালে ধরা পড়বে গর্ভস্থ শিশু শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা আছে কিনা। অর্থাৎ হাত-পায়ে ডিফেক্ট আছে কিনা সেটা ধরা পড়বে এই টেস্টে। তাছাড়া কোয়াড্রাপোল মার্কার টেস্ট করা হয়ে থাকে অনেকের। যদি কমপ্লেক্স প্রেগন্যান্সি হয়, যেমন পরিবারে ডাউন সিনড্রোম বেবি থাকলে বা নার্ভের কোনও সমস্যা থাকলে, এই ধরনের টেস্ট করিয়ে নেন ডাক্তাররা। এতে ক্রোমোজোমে কোনও অস্বাভাবিকতা আছে কিনা সেটা ধরা পড়ে। আলট্রাসোনোগ্রাফি টেস্ট তো এখনকার দিনে খুবই উন্নত। এটা করলে বোঝা যায়, গর্ভস্থ বাচ্চার লিম্ফ নোড ঠিক আছে কিনা, হার্ট বা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিক আছে কিনা সেটা ধরা পড়বে।

ডাক্তারবাবু বলছেন, ‘প্রি কনসেপশনাল কাউন্সেলিং’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে গর্ভস্থ সন্তানের কোনও অস্বাভাবিকতা আছে কিনা বা গর্ভেই জটিল রোগ হচ্ছে কিনা সেটা ধরা পড়বে আগেই। সেইমতো চিকিৎসাও শুরু করতে পারবেন ডাক্তাররা। অনেক রকম ‘কনজেনিটাল ডিফেক্ট’ এতে ঠিক করা সম্ভব। হবু স্বামী–স্ত্রী থ্যালাসিমিয়ার স্ক্রিনিং টেস্ট করান৷ এক জন রোগের কেরিয়ার হলে সমস্যা নেই৷ কিন্তু দু’জনই কেরিয়ার হলে সন্তানের রোগ হতে পারে৷ এ সব ক্ষেত্রে এই টেস্টগুলো করিয়ে নিয়ে জরুরি। আবার পরিবারে যদি হার্টের রোগের ইতিহাস থাকে, তাহলে গর্ভসঞ্চারের পরে ভ্রূণের ফিটাল ইকো করিয়ে নেওয়া জরুরি। এতে ধরা পড়বে গর্ভস্থ সন্তানের হার্টে কোনও সমস্যা আছে কিনা।

তৃতীয় ত্রৈমাসিক বা থার্ড ট্রাইমেস্টারে গিয়ে গর্ভপাত হয়ে যায় অনেকের। স্টিল বার্থের ঝুঁকি থাকে। সেজন্য ৩৭ সপ্তাহ হয়ে গেলে ‘ফিটাল মুভমেন্ট’ দেখাটা খুব জরুরি। ওবেসিটি থাকলে এর ঝুঁকি বাড়ে। যদি মা নর্মাল ডেলিভারি চান তাহলে এই বিষয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। থার্ড ট্রাইমেস্টারে গিয়ে প্রতি সপ্তাহে চেকআপ করিয়ে নেওয়া জরুরি।

কী বলছেন ডাক্তারবাবু


```