
শেষ আপডেট: 15 December 2020 07:44
সাইনুসাইটিসের লক্ষণ:
মাথা ব্যথা, চোয়ালের চারপাশে ব্যথা, সর্দি, দাঁতের উপরের পাটিতে ব্যথা, ঘাড়ে, কাঁধে ব্যথা হয় অস্বাভাবিকভাবে।
যে কারণে সাইনুসাইটিস হয়-
শুকনো বাতাস, ফুলের পরাগ, ধূলিকণা, সুগন্ধি কার্পেট, দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করা কম্বল ব্যবহার করলেও পড়তে পারেন এই সমস্যাতে। এলার্জি থেকে সবচেয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ঠান্ডা খাবার খাওয়ার জন্যও সাইনুসাইটিসের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই শীতকালে খুবই সাবধানে থাকা দরকার। এছাড়াও বাড়ির পোষ্যের থেকেও হতে পারে সাইনোসাইটিস। তবে এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে। কয়েকটা ঘরোয়া টোটকাতেও উপকার পেতে পারেন। রইল কিছু সহজ উপায়।
১. ঘরবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা-
প্রতিদিন ভাল করে নিজের ঘরকে পরিষ্কার রাখা দরকার। ঘরে পরিষ্কার বাতাস চলাচল করা খুব দরকার ভাল করে শ্বাসকার্য চালানোর জন্য। ঘরে এয়ার কন্ডিশন থাকলে সেটাও ভাল করে পরিষ্কার করতে হবে, না হলে এসির বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা, পরাগ ইত্যাদি আপনার শ্বাসকার্যে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
২. অসুস্থ লোকেদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন-
যাঁরা অসুস্থ হয়েই রয়েছেন তাঁদের সংস্পর্শে আসা থেকে বিরত থাকতে হবে। সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। এছাড়াও বারবার করে সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধোয়ার কথা মনে রাখতে হবে।
৩. হাইড্রেটেড থাকতে হবে-
শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। শরীরে জলের অভাব শরীরকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। জলের ভারসাম্যকে রাখার জন্য অ্যালকোহল, ক্যাফিন জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে।
৪. ভাল করে ঘুমের প্রয়োজন-
রাতে ভাল করে ঘুমোনো খুবই দরকার। ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, শক্তি সরবরাহ করে। রাতে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমোনো দরকার। কাজের চাপ, মানসিক চাপ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
৫. ধোঁয়া এড়িয়ে যেতে হবে-
রাসায়নিক, সিগারেটের ধোঁয়া খুবই ক্ষতিকারক হয়। সুগন্ধি দ্রব্যও অনেক সময় এলার্জির কারণ হয়, তাই এগুলো থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয়।