
শেষ আপডেট: 4 September 2021 14:07
২) হলুদের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম অক্সালেট (Calcium oxalate) অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের পাকস্থলী হজম করতে পারে না। ফলে এই হজম না হওয়া ক্যালসিয়াম অক্সালেট জমে পরবর্তীকালে কিডনিতে পাথর তৈরি করে।
৩) গর্ভবতী মহিলাদের হলুদ না খাওয়াই ভাল। কারণ হলুদ ইউটেরাইন স্টিমুল্যান্ট হিসাবে কাজ করে, যা মেনস্ট্রুয়াল ফ্লো কে উৎসাহিত করে।
৪) হলুদ ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তবে কেমোথেরাপি চলার সময় অতিরিক্ত মাত্রায় হলুদ খেলে তা কেমোথেরাপির প্রভাব নষ্ট করে। তাই যাঁদের কেমোথেরাপি চলছে, তাঁদের হলুদ না খাওয়াই উচিত।
৫) হলুদ ত্বকের জন্য একটি অত্যন্ত উপকারী উপাদান। তবে অতিরিক্ত পরিমাণ হলুদ থেকে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যার ফলে ত্বকে র্যাশ দেখা দিতে পারে।
৬) হলুদ রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। যার ফলে অতিরিক্ত হলুদ খেলে শরীরে রক্ত তঞ্চনে সমস্যা দেখা দেয়।
৭) হলুদে থাকা কারকিউমিন অত্যন্ত প্রতিক্রিয়াশীল যৌগ। যার ফলে অতিরিক্ত হলুদ খাওয়ার অভ্যাস করলে তা বিভিন্ন ওষুধের সাথে (যেমন- অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন, স্টেরয়েড) বিক্রিয়া করে তার কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'