
শেষ আপডেট: 31 May 2019 18:30
চিকিৎসকদের কথায়, চল্লিশোর্ধ মহিলাদের এই সংক্রমণের ধাঁচ বেশি। তবে কমবয়সীদেরও ছাড় নেই। বয়ঃসন্ধিতে পিরিয়ড শুরুর মুখে অনেক মেযেরাই লিচেন স্ক্লেরোসাসে ভোগেন। মেয়েদের গোপন অঙ্গের চারপাশে, পশ্চাৎদেশে সাদা র্যাশের মতো সংক্রমণ দেখা যায়। যা থেকে চুলকানি, ইচিং, চামড়া ফেটে যাওয়া। অনেক সময়েই মেয়েরা লজ্জা, সংকোচের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করেন। ফলে সংক্রমণ বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংক্রমণ নিয়ে সঙ্গম করলে রক্তপাতের আশঙ্কা থাকে। এমনকি সংক্রামিত জায়গায় হানা দিতে পারে অন্য ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনও।
লিচেন প্ল্যানাস শুধু গোপন অঙ্গ নয়, হাত-পা, শরীরের যে কোনও জায়গায় বাসা বাঁধতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, এটিও একপ্রকার ফাঙ্গাল ইনফেকশন। তবে সঠিক চিকিৎসা না হলে এই সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। হাত-পায়ের ত্বকে, মুখের ভিতরে, গোপনাঙ্গে সর্বত্রই হানা দেয় এই সংক্রমণ। লাল র্যাশের মতো বড় বড় ছোপ পড়তে থাকে চামড়ায়। মুখের ভিতরে এই সংক্রমণ হলে খাবার চিবোতে এবং গিলতে কষ্ট হয়। অনেক সময়েই দেখা যায় সংক্রমণ বেড়ে গিয়ে হাত-পায়ের চামড়ায় কালচে ছোপ পড়ে গিয়েছে। মাথার স্ক্যাল্পে এই সংক্রমণ হলে চুল পড়ে যায়।
'দ্য জার্নাল অব নার্স প্রেডিকশনস' বিজ্ঞান পত্রিকায় চিকিৎসক নিকোলাস ওযেডেল ও লরা জনসন বলেছেন, এই দুই সংক্রমণ থেকেই অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় মহিলাদের। শিশুদের ক্ষেত্রেও অনেক সময়েই এই সংক্রমণ দেখা গেছে। মায়ের থেকে সন্তানের এসেছে, এমনটাও দেখা গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, মেনোপজের পরে বা পিরিয়ড চলার সময় সেক্স হরমোনের তারতম্যের কারণেও এই সংক্রমণ হতে পারে। সুতরাং, এই ধরনের র্যাশ বা অ্যালার্জি হলে সেটাকে সামান্য মনে করার ভুল কখনওই করবেন না। কারণ এই সংক্রমণই বেড়ে অন্য জটিল রোগের জন্ম দেবে না সেটা কে বলতে পারে!