শেষ আপডেট: 13 March 2020 02:30
রত্না ভট্টাচার্য্য শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য
পুরুলিয়া জেলার অযোধ্যা পাহাড় একটি পরিচিত নাম। সারাবছর বহু ভ্রমণকারী এখানে আসেন। এক-এক ঋতুতে অযোধ্যার রূপ এক-এক রকম। বসন্ত ও বর্ষায় সুন্দরী হয়ে ওঠে অযোধ্যা পাহাড়। বর্ষায় মান্ডুর সঙ্গে তুলনা করা হয় অযোধ্যাকে। পাহাড়ে পায়ে-পায়ে ঘুরে দেখে নেওয়া যায় জায়গাগুলিকে।
অযোধ্যা বিশ্বাশ্রম
মাস্টারমশাই কৃত্তিবাস মাহাতোর আশ্রম। ছোটখাট একটা নার্সারি। নিজের জীবনের উপলব্ধি থেকে কিছু কথা লেখা আছে আশ্রমের বিভিন্ন জায়গায়। পড়তে ভাল লাগবে। একটা সময় যখন অযোধ্যায় থাকার তেমন জায়গা ছিল না, এই আশ্রমই ছিল তখন একমাত্র ভরসা। আজও যারা কম পয়সায় বেড়াতে ভালবাসেন, যারা প্রকৃতির কোলে থাকতে ভালবাসেন বা স্কুলকলেজের ছাত্র-ছাত্রী বা অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয় মানুষজনের কাছে এই আশ্রম স্বর্গভূমি। তবে একটা কথা মাথায় নিয়ে এই আশ্রমে প্রবেশ করতে হবে, ‘অযোধ্যা বিশ্বাশ্রম প্রারম্ভ পরিশ্রম।’
এর পর পায়ে হেঁটে দেখে নেওয়া যায় যাত্রীনিবাসের সামনের মাঠ, যেখানে দশেরায় উৎসব হয়। শীতে জমে ওঠে মুরগি লড়াই। এই মাঠে মেলা ও ছৌ নাচের আসর বসে অথবা আদিবাসী ছেলেদের ফুটবল ম্যাচ।
[caption id="attachment_195077" align="aligncenter" width="600"]
বসন্তের রূপ।[/caption]
লাক্ষা প্রক্রিয়াকরণ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও পায়ে হেঁটে দেখে যাওয়া যেতে পারে এগ্রিকালচার বেস অযোধ্যা হিলস গভর্নমেন্ট স্পনসর্ড আশ্রম টাইপ হাইস্কুলে। পাহাড়ের ছাত্ররা এখানে পড়াশুনা করে। অযোধ্যায় একসময় তৈরি হয়েছিল পলাশকানন। অন্য রকম বেড়ানো, অ্যাডভেঞ্চারের কথা মাথায় রেখে মাটির বাড়ি সমেত এক ক্যাম্পিং সাইট গড়ে উঠেছিল। এটিও ঘুরতে ঘুরতে দেখে নিলে মন্দ লাগবে না।
অযোধ্যা পাহাড়ে চা-চাষেরও প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল, যদিও এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু রয়ে গিয়েছে চা-গাছ ও বাগানের পরিবেশ। পাহাড়ে এই পরিবেশ বেশ আনন্দদায়ক।
সীতাকুণ্ড/ বুড়বুড়ি
[caption id="attachment_195078" align="aligncenter" width="600"]
সীতাকুণ্ড।[/caption]
টি-গার্ডেন দেখে ভেতরের রাস্তা দিয়ে পৌঁছনো যায় সীতাকুণ্ড বা বুড়বুড়িতে, এখানে মাটির নিচ থেকে আপনা হতে জল অনবরত বেরিয়ে আসছে। পাহাড়ের মানুষের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান। কথিত আছে, বনবাসকালে রামচন্দ্র সীতাকে এখানে এনেছিলেন এবং তাঁর তৃষ্ণা মেটাতে রামচন্দ্র পাতালভেদী বাণ নিক্ষেপ করে কুণ্ড সৃষ্টি করেন জলের জন্য। রামচন্দ্র ও সীতার মিথ নিয়ে সীতাকুণ্ড ও সীতার বিশ্রামস্থল সীতা চাটান আজও পাহাড় ও সন্নিহিত অঞ্চলের মানুষের কাছে সমান আকর্ষণীয়।
এর পাশের বাগানটি গড়বাগান নামে পরিচিত ছিল। এখানে শালগাছে সরু সরু যে ঝুরি নামত, সেগুলি সীতার চুল বলে আজও বিশ্বাস করেন মানুষ। এই বাগানের মধ্যে দু’টি প্রাচীন কূপ আছে। প্রতিবছর বুদ্ধপূর্ণিমার দিন সাঁওতাল সম্প্রদায়ের শিকার উৎসব বা দিসুম সেন্দ্রা অযোধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। সেই সময় তারা এখানে আসেন, পুজো দেন, তার পর তারা শিকারে বের হন। এখানে পূর্ণিমার দিন দূরদূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার সাঁওতাল মানুষজনের মেলা বসে।
রামমন্দির: এখান থেকে মাটির রাস্তা ধরে খানিকটা এগিয়ে গেলেই রামমন্দিরে পৌঁছনো যায়। রামচন্দ্র, লক্ষ্মণ ও সীতাদেবী এখানে রোজ পূজিত হন।
ভারত সেবাশ্রম সংঘ: পাহাড়ে এই সংঘ বহুদিন ধরে সেবাকার্য করে যাচ্ছে। এখানে সংঘের মন্দির আছে। অনুমতি নিয়ে এখানে থাকা যেতে পারে।
রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম: ময়ূর পাহাড় যেতে ডান দিকে পড়বে আশ্রমটি। পাহাড়ে নির্জনে আশ্রমিক পরিবেশ শান্তির ও স্বস্তির।
ময়ূর পাহাড়
আগের অযোধ্যা যখন অনেক বেশি জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল, তখন এই পাহাড়ে অনেক ময়ূরের আনাগোনা ছিল, পাহাড়ের গর্তে তারা ডিম পাড়ত। সেই থেকেই এই পাহাড়ের নাম ময়ূর পাহাড়। এখন এখানে গাছপালা আর নেই। এই পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। এখান থেকে সামনে তাকালে খোদা ডুংরি, সাঠু ডুংরি সহ বহু পাহাড়ি টিলা চোখে পড়ে, যার সংখ্যা প্রায় ৭২টি। এখান থেকে সুন্দরী অযোধ্যার সবুজ প্রকৃতির রূপ মনকে এক অনাবিল আনন্দে ভরিয়ে দেবে।
যোগিনী পাহাড়
যোগিনী পাহাড় নিয়ে একটি গল্প অযোধ্যা পাহাড়ে চালু আছে। এক আদিবাসী রমণীর কপালে জুটেছিল ডাইনি অপবাদ। তিনি গ্রাম ছেড়ে এই পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নেন। পরে এই মহিলাই আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে যোগিনী মা হিসাবে স্বীকৃতি পান। এই পাহাড়েই যোগিনী মা এক বুনো ভালুকের আক্রমণে প্রাণ হারান। তাঁর নামেই এই পাহাড়ের নাম যোগিনী পাহাড়। চারিদিকে শাল, সেগুন, মহুয়া, পলাশের জঙ্গলে নানান পাখির ডাক শুনতে শুনতে এখানে পৌঁছলে অবাক হতে হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে। এখানে আসতে গেলে অবশ্যই একজন গাইড সঙ্গে নেওয়া দরকার।
[caption id="attachment_195097" align="aligncenter" width="600"]
পথের ধারে।[/caption]
সেরিকালচার ফার্ম: ময়ূর পাহাড় থেকে কিছু পথ হাঁটলেই জামঘুটু গ্রাম। এখানেই রয়েছে রেশম চাষের কেন্দ্র ও অফিস। পাহাড়ের মানুষকে রেশম চাষে উৎসাহিত করতে ও আয়ের পথ দেখাতে তৈরি হয়েছে এই কেন্দ্র। কেন্দ্রে তুঁত গাছের মধ্যে রেশমের গুটি পোকা দেখতে পাওয়া যায় সিজনে এলে। ফাল্গুনে তুঁত গাছে ফল পাকে, তার আচার আদিবাসীদের খুব প্রিয়। জামঘুটু ঘুরতে গেলে এই আচারের স্বাদ না নেওয়া বোকামি হবে।
এই সব জায়গা অযোধ্যায় থেকে পায়ে হেঁটে ঘুরে নেওয়া যায়। তবে স্থানীয় গাইডের অবশ্যই প্রয়োজন। বাসস্ট্যান্ডে বা খাবার হোটেলে খোঁজ করলেই গাইডের সাক্ষাৎ মেলে, অবশ্যই কিছু অর্থের বিনিময়ে।
যারা ট্রেকিংয়ে উৎসাহী তারা একজন গাইড নিয়ে পরবর্তী জায়গাগুলি পায়ে হেঁটে ঘুরে নিতে পারেন অথবা গাড়ি ভাড়া করেও জায়গাগুলি ঘুরে আসা যায়।
ফরেস্ট বাংলো
[caption id="attachment_195096" align="aligncenter" width="600"]
ফরেস্ট বাংলো।[/caption]
অযোধ্যা থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে ফরেস্ট বাংলোটি অবস্থিত। এই বাংলোর পরিবেশটি বড় নির্জন ও সুন্দর, কিন্তু ফরেস্ট বাংলো আলাদা করে দেখার জায়গা হতে পারে না। তবুও এই বাংলোয় ঘুরে আসার কথা বলতেই হয়, কারণ এখানে রয়েছে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণবট। এই গাছের পাতার গড়নটি একটি ফানেলের মতো। এর মধ্যে ছোট এককাপ চা রেখে খাওয়া যাবে। এর বিচিত্র গড়নের জন্য শ্রীকৃষ্ণের দুধ খাওয়ার কিংবদন্তি যুক্ত হয়ে আছে। এ রকম অদ্ভুত গাছটি অবশ্যই দেখা উচিত। অনুমতি নিয়ে এখানে থাকাও যেতে পারে।
বাঁধঘুটু
[caption id="attachment_195081" align="aligncenter" width="600"]
আপার ড্যামের উপর।[/caption]
অযোধ্যা পাহাড় থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে বাঁধঘুটু গ্রামে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ মিটার উচ্চতায় পাহাড় থেকে নেমে আসা কেষ্টবাজার নালায় বাঁধ দিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে আপার ড্যাম তৈরি হয়েছে। আপার ড্যাম থেকে ভূগর্ভে দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গপথে ১৫৭ মিটার লম্বা ও ৪৮ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট পাওয়ার হাউস তৈরি হয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ তৈরি হচ্ছে। পুরুলিয়া পাম্পড স্টোরেজ প্রকল্পে বিশেষ পদ্ধতিতে একই জল বারংবার ব্যবহার করে ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরির ব্যবস্থা রয়েছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যে পরিমাণ জল দরকার, তা আটকে দেওয়া হবে নিচের জলাধারে। বেশি রাতে বিদ্যুতের চাহিদা যখন কম হবে অর্থাৎ অফ পিক আওয়ারে নিচের জলাধার থেকে ওপরের জলাধারে জল ফেরত পাঠানো হবে। প্রতিদিন একই ভাবে জলকে বারবার কাজে লাগিয়ে দিনের পর দিন বিদ্যুৎ তৈরি হবে। অযোধ্যা পাহাড়ে ৩৭৩.২০ হেক্টর এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। এই প্রকল্প তৈরি করতে অনেক গাছ কাটা পড়েছে, তাই এখানকার প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সমপরিমাণ গাছ লাগানোর ব্যবস্থা হয়েছে। এই বাঁধ দু’টি হওয়ার ফলে বাগমুণ্ডি থেকে লহরিয়া হয়ে দু’টি বাঁধের পাশ দিয়ে সহজেই অযোধ্যা চলে আসা যাচ্ছে।
[caption id="attachment_195083" align="aligncenter" width="600"]
আপার ড্যাম।[/caption]
চারিদিকে পাহাড়, মাঝে বিরাট জলাশয় নিয়ে আপার ড্যাম ও লোয়ার ড্যাম দু’টির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। জলাধারে শীতে পরিযায়ী পাখিরা আসতে শুরু করেছে। অযোধ্যার পর্যটন মানচিত্রে নতুন সংযোজন বাঁধঘুটু। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এখানে নতুনভাবে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। আশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
সীতা চাটান
বাঁধঘুটু গ্রাম থেকে একটু খোঁজ নিয়ে দেখে আসা যায় সীতা চাটান। পাথরের ওপর পায়ের ছাপকে সীতাদেবীর পায়ের ছাপ বলে স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মানেন। সীতা চাটানের হদিশ চট করে খুঁজে পাওয়া মুশকিল, তাই একজন গাইডই পারেন সঠিক পথের নিশানা দেখাতে। অতএব স্থানীয় গাইড সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
বামনি ফলস
[caption id="attachment_195091" align="aligncenter" width="600"]
চলতে পথে।[/caption]
অযোধ্যা পাহাড় থেকে বাগমুণ্ডি অযোধ্যা মোড়ের দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। তার মধ্যে ৯ কিলোমিটার চড়াই পথ। এই পথে পড়ে দু’টি সুন্দর ঝরনা-– বামনি ও টুর্গা। অযোধ্যা থেকে পাহাড়ি পথে নামতে গিয়ে ৯ কিলোমিটার মতো গেলে পড়ে বামনি ঝরনা। ভারি সুন্দর তার জংলি পরিবেশ। গা-ছমছমে রাস্তায় নেমে বামনি ঝরনা মুগ্ধ করে। বর্ষায় তার রূপ ভিন্ন। বন বিভাগের পুরুলিয়া ডিভিশনের বাগমুণ্ডি রেঞ্জ এটির সৌন্দর্যায়ন ঘটিয়েছে। সুন্দর একটি অবজারভেটরি টাওয়ার তারা তৈরি করেছে। বড় বড় পাথর ডিঙিয়ে, জল পেরিয়ে যাওয়া যায় সেই টাওয়ারে। সৌভাগ্যক্রমে সেই সময় অন্য ট্যুরিস্ট না থাকলে টাওয়ারে বসে পাখির ডাক, চারদিকের আরণ্যক পরিবেশ এনে দেবে এক অনাবিল প্রশান্তি, যা অনেক দিন থাকবে স্মৃতির মণিকোঠায়।
টুর্গা ফলস
বামনি থেকে আরও দেড় কিলোমিটার এগিয়ে গেলে পড়ে টুর্গা ঝরনা। মূলরাস্তা থেকে খানিক পথ নিচে নামলে তবেই দেখা মেলে টুর্গা ফলসের। হঠাৎ যেন চঞ্চল কিশোরী উঁচু থেকে নিচে লাফ দিয়ে আনন্দে নামছে। টুর্গা ঝরনায় স্নানে খুব মজা পাওয়া যায়। এর জল সোজা গিয়ে মিশছে টুর্গা বাঁধে। পাহাড়ের উঁচু থেকে এই বাঁধের দৃশ্যও ভারি সুন্দর।
গভরিয়া জঙ্গল
[caption id="attachment_195092" align="aligncenter" width="600"]
পাহাড়ের শোভা।[/caption]
অযোধ্যা পাহাড়ে সবচেয়ে গভীর জঙ্গল এলাকা হল গভরিয়ার জঙ্গল। হয়তো গভীর জঙ্গল থেকেই নামটা গভরিয়া হয়েছে। এ জঙ্গলে হাতিদের অবাধ বিচরণ, অন্য বন্যপ্রাণীও রয়েছে। গভরিয়ার জঙ্গলে ট্রেক করা যায়, তবে অভিজ্ঞ গাইড অবশ্যই সঙ্গে থাকা দরকার। অযোধ্যা থেকে উসুলডুংরির পথে ৫ কিলোমিটার গেলেই গভরিয়ার জঙ্গল শুরু বলা যেতে পারে। ৫ কিলোমিটার পথ ট্রেক করে গভরিয়া জঙ্গলে প্রবেশ করে আরও খানিকটা ট্রেক করা যায় জঙ্গলের পথে।
উসুলডুংরি
[caption id="attachment_195086" align="aligncenter" width="600"]
গ্রামের পথে।[/caption]
উসুলডুংরি পাহাড়ের একটি পরিচিত গ্রাম। অযোধ্যা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে উসুলডুংরি। এই পথেই একটি রাস্তা হেদেলবেড়া, খুনটাঁড়, ঘাটবেড়া হয়ে উরমা পর্যন্ত চলে গেছে। পাহাড়ের কোলে গ্রাম, প্রাণভরে সবুজের মাঝে বুকভর্তি অক্সিজেন, সূর্যোদয় অপরূপ। উসুলডুংরি পর্যন্ত গাড়ি যায়। উৎসাহীরা এ পথটুকু হেঁটেও যেতে পারেন। কত দূর দূরে মানুষ ছুটে যায় অপরূপ সূর্যোদয় দেখবে বলে, আর হাতের কাছে এমন সূর্যোদয় দেখার স্পট থাকতে মানুষকে কেন দূরে ছুটতে হবে? অতএব ঘরের কাছে আরশিনগরেই না হয় একটু ঘোরা হল।
অযোধ্যায় রাত্রিবাসের ঠিকানা হল-- মালবিকা, নীহারিকা লজ, অযোধ্যা পাহাড়, পুরুলিয়া। যোগাযোগ-- ডবলু বি সি এ ডি সি, নীলকুঠিডাঙ্গা, পুরুলিয়া, দূরভাষ: ০৩২৫২ ২২৫৭২৬। কলকাতার যোগাযোগ- ৬এ, রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার, নবম তল, কলকাতা-১৩, দূরভাষ: ২২৩৭৭০৪১-৪৩, ২২৩৭৭৪৭৩।
কাছেপিঠে আরও নানা জায়গায় বেরিয়ে পড়তে ক্লিক করুন নীচের লাইনে।