
শেষ আপডেট: 19 January 2020 03:45
ডাক্তারি মতে মানবশরীরে যে হাড় তৈরি হয় তার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে শুরু হয় ক্ষয়। ৪০-এর পর থেকে বাড়ে সমস্যা। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে খাবারের পাতে দুধ বা দুধজাত দ্রব্য এবং ডিম থাকুক বা না থাকুক, ব্রেকফাস্টে ৩ থেকে ৪টে বাদাম বা আমন্ড খাওয়াটা সত্যিই জরুরি।
তবে কেবল ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কমানোই নয়, বাদামের রয়েছে আরও অনেক গুণ। ত্বক এবং চুলের জেল্লা বাড়াতেই বাদাম সাহায্য করে। শরীরে পুষ্টি জোগায়। বেশ অনেকক্ষণ পেটও ভরিয়ে রাখে। তবে অতিরিক্ত কোনও কিছু খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই বেশি বাদাম খেয়ে ফেললে হিতে বিপরীত হতে পারে। বাড়তে পারে মেদ। আর এক্সট্রা ফ্যাটের জন্য দেখা দিতে পারে অন্যান্য সমস্যা। শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানারকম রোগ। ফলে রোগ সারানোর বদলে নতুন রোগের প্রকোপ হতে পারে। তাই দিনে ৩ থেকে ৪টে বাদামের বেশি না খাওয়াই ভাল।
শুধু বাদামের বদলে পিনাট বাটার বা আমন্ড বাটারও খেতে পারেন। উপকার একই হবে। ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম এবং প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবা সমৃদ্ধ আমন্ড উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। কমায় কোলেস্টোরলও। তবে যাই খান না কেন সেটা পরিমিত হওয়া প্রয়োজন। নইলেই ঘোর বিপদ।
এক নজরে রইল আমন্ডের উপকারিতা-
১। হাড় শক্ত করে।
২। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটায়।
৩। উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
৪। কোলেস্টোরল কমায়।
৫। হার্টের সমস্যার ক্ষেত্রেও উপকারী।
৬। অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে।
৭। অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরাতেও সহায়তা করে।
৮। চুল এবং ত্বক ভাল রাখার ক্ষেত্রেও আমন্ডের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তাই ব্রেকফাস্টের মেনুতে রোজই অন্তত ৩ থেকে ৪টে বাদাম রাখুন। হাতেনাতে ফল পাবেন।