
শেষ আপডেট: 19 January 2021 11:31
শহুরে বাঙালির কাছে নিরিবিলিতে সপ্তাহ শেষের দুদিন কাটানোর সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হল লালমাটির দেশ, শান্তিনিকেতন। তবে বোলপুরের মধ্যে রয়েছে আরও অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা, সেখানকার একটা অন্য এলাকা ঘুরে আসুন। শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকলেই পেয়ে যাবেন বনের ভিতরে থাকা বনলক্ষ্মীকে। যাঁরা নির্জনতা ভালবাসেন তাঁদের জন্য এটি দারুণ থাকার জায়গা। তবে সবচেয়ে যেটা ভাল লাগবে তা হল এখানকার খাবার। গলদা চিংড়ির মালাইকারি হোক বা চিতল মাছের মুইঠ্যা, কাতলা মাছের কালিয়া ইলিশ মাছ ভাপা, সঙ্গে একরাশ নিরামিষ পদ, নিজেদের গোয়ালের গরুর দুধ দিয়ে তৈরি মিষ্টি এবং দই তো উপরি পাওনা। শুধু খাঁটি বাঙালি রান্নার স্বাদ পেতেই বনলক্ষ্মীতে দিন দুয়েক থাকা যায়।
পৌষী গ্রামের মন চাষা
মেদিনীপুরের পৌষী গ্রামে আছে মন চাষা হোম স্টে। খড়ের চালে মাটির বাড়ির ভিতরে আধুনিক জীবনযাত্রার যাবতীয় ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। চারিদিকে কেবলই সবুজ, প্রাণের জোয়ার! ফসল কাটা, ধানভানা, গাছে উঠে ফল পাড়া, পুকুরে জাল কিংবা ছিপ ফেলে মাছ ধরা দেখে আনন্দ পাবে মন, শহুরে আলোর ঝলকানিতে ক্লান্ত চোখ পাবে স্বস্তি। মনচাষার খাবার অর্থাৎ চাল, ডাল, আটা, সবজি সব সেখানেই চাষ হয়। পুকুর থেকে তোলা টাটকা মাছ খাওয়ানো হয় অতিথিকে। বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করেই তা ব্যবহার করা হয়।
রাজবাড়ির অন্দরমহল
মোটামুটি ঘণ্টা দুয়েকের রাস্তা পেরিয়ে এলেই পৌঁছে যাবেন হুগলির ইটাচুনা গ্রামে। সেখানেই আছে এক রাজারবাড়ি। রূপকথার রাজার বাড়ির গল্প সকলেই ভালইবাসে। সেখানে যদি মেলে রাজকীয় আপ্যায়ন তাহলে তো কথায় নেই! রাজারবাড়িতে থাকতে গেলে ওখানকার নির্দিষ্ট নিয়ম একটু মেনে চলতে হবে। ইতিহাসের গন্ধ, রহস্য-রোমাঞ্চ আর আহারের বাহারে জমে যাবে সপ্তাহের শেষের দুইদিন।