
শেষ আপডেট: 10 August 2019 13:37
১. ব্লাড প্রেশার হাতের মুঠোয় রাখা যায়
ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে চুম্বন। হৃদস্পন্দনের ছন্দ সুন্দর হয়। রক্তচাপ আয়ত্তে রাখার মাধ্যমে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিতে রক্তের সঠিক প্রবাহে সহায়তা করে প্যাশনেট চুমু। যখনই চুমু খাচ্ছেন, সেটা শুধু আপনার মনেই নয়, প্রভাব ফেলছে প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেই।
২. দাঁতের ক্যাভিটির সাথে লড়াই করে
ঠোঁটে ঠোঁটে ঠোক্কর খাচ্ছে যখন, আপনার মুখে তুলনামূলকভাবে বেশি স্যালাইভা বা লালারস তৈরি হচ্ছে। যে ব্যাকটিরিয়াগুলো দাঁত এবং মাড়ির ক্ষতি করে, তাকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে সাহায্য করে এই স্যালাইভা। আপনার ক্যাভিটি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেটায় বিশেষ সুবিধা হবে না। তাই দিনে এক থেকে দুবার কম করেও সব কিছু ভুলে সেই মানুষটাকে চুমু খেতেই পারেন।
৩. ওজন কমাতে সাহায্য করে
খুব চেষ্টা করেও ওজন কমাতে পারছেন না? চুমু খান আর দেখুন কয়েক মাসেই ঝরঝরে লাগছে নিজেকে। ৮-১৬ ক্যালোরি ঝরে যায় এক একটা প্যাশনেট কিস্-এ! জানতেন? এর কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সেই অর্থে না পাওয়া গেলেও, মনে করা হচ্ছে প্রতিবার চুমু খাওয়ার সময়ে চোয়ালের যে এক্সারসাইজ় হয়, সেটাই অনেকটা ওজন ঝরিয়ে দেয় আপনার। বিশেষত আপনার মুখমন্ডল যদি বেশ গোলগাল হয়, সেটা কমাতে চুমু খাওয়ার রাস্তায় হাঁটতেই পারেন।
৪. ফিল গুড হরমোন বাড়বে
প্রতিবার চুমু খেলে আপনার শরীরে অক্সিটোসিন, সেরোটোনিন, ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়তে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই আপনার মেজাজ ফুরফুরে হয়। তাই যতই ‘স্ট্রেসড লাইফ’ হোক একটা বা দুটো প্যাশনেট চুমুতেই আপনি মিস বা মিস্টার কুল থাকতেই পারেন। সঙ্গীকে এ বিষয়ে জানিয়ে রাখুন, আপনার ঘাড়ে একটা আলতো চুমু, বা ঠোঁটে গভীর আশ্রয় দিলে তিনিও আপনাকে সবসময়ে আনন্দে দেখতে পাবেন।
কাজেই ঝাঁপিয়ে না পড়ে, মাঝে মধ্যে পছন্দের মানুষটির ঠোঁটে গভীর ডুব দিয়ে দেখুন, দারুণ সব উপকার পাবেন।