
শেষ আপডেট: 2 December 2020 07:16
যদি ১৫ দিনের ছুটির ব্যবস্থা করতে পারেন, তাহলে রাজস্থান বেড়ানোর প্ল্যান মন্দ হবে না। তবে রাজস্থান বললে আগেই মনে আসে রাওয়াল জয়েসওয়ালের প্রতিষ্ঠা করা শহর, জয়সলমীরের কথা।এখানে রয়েছে সোনার বালির টিলা, ঐতিহ্যবাহী হোটেল, মরুভূমির শিবির, উট সাফারি যা আপনাকে দিতে পারে অনাবিল আনন্দ। মাথার ওপর নীল আকাশ আর পায়ের নীচে সোনালি বালি দিতে পারে স্বর্গীয় অনুভূতি। চাইলে ঘুরতে যেতেই পারেন এই ঐতিহাসিক শহরে।
২. হাম্পি
বর্তমানে পর্যটকদের কাছে হাম্পিতে বেড়াতে আসার একটা চাহিদা তৈরি হয়েছে। এখানে থাকা ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও মন্দিরকে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন বহু ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। দক্ষিণ ভারতের একসময়ের বিজয়নগর সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই হাম্পি। যার জনপ্রিয়তা আজও একই রয়েছে মানুষের কাছে। এই শীতে একবার ঘুরে আসতে পারেন এই ইতিহাসের শহর থেকে।
৩. মুন্সিয়ারি
পাহাড়ের প্রতি যদি প্রেম একটু বেশি থেকে থাকে, তাহলে ডিসেম্বরের ছুটিতে শহুরে কোলাহল থেকে পালাতে পারেন উত্তারখণ্ডের মুন্সিয়ারিতে। বরফের চাদরে ঢাকা পাহাড় আর গরম চায়ের সকাল, ছুটির আমেজকে আলাদাই মাত্রা দিতে পারে। যদি যেতে চান পাহাড়ে তাহলে দেরি না করে এখনই কেটে ফেলতে পারেন উত্তরাখণ্ডের টিকিট।
৪. কচ্ছের রণ
ভিড় এড়িয়ে অফবিট জায়গার হদিশ খুঁজছেন? তাহলে একটা ঠিকানা দেওয়াই যায়! বিদেশেও না আবার অফবিট জায়গাও। ঘুরে আসতে পারেন গুজরাটের কচ্ছের রণ থেকে। এখানকার গ্রামগুলো দেখলে যে মুগ্ধ হয়ে যাবেন, সে গ্যারান্টি আরামসে দেওয়া যায়। এছাড়া এর কাছাকাছি ঢোলাবীর, সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ সবই দেখে আসতে পারেন এই সুযোগে। আর সব থেকে মন ভাল করা ব্যাপার হল কচ্ছের রণে দেখতে পাবেন বহু পাখি, যা এক ঝটকাতে মন ভাল করে দেবে আপনাদের।
৫. কলকাতা
কলকাতা -'দ্য সিটি অফ জয়' সবসময় সদর দুয়ার খুলে রেখেছে বিশ্বের সকল মানুষের জন্য। দুর্গাপুজো থেকে বড়দিন, সবকিছুতেই হুল্লোড়ে মেতে ওঠে আনন্দের শহর কলকাতা। বো ব্যারাক থেকে টেরিটি বাজার, নন্দন চত্বর থেকে পার্কস্ট্রিট - হলফ করে বলা যায়, একবার এখানে বেড়াতে এলে আপনাকে হতাশ করবে না এ শহর! কলকাতা ভালবাসার শহর। আপনি একবার কলকাতাতে এলে ময়দান থেকে আহেরিটোলা, উত্তরের অলিগলি, ট্রামলাইন, বইপাড়া, মাটির ভাঁড়ের চা - এসব কিছুর প্রেমে আপনি পড়বেনই! তাই দেরি না করে বড়দিনে চলে আসতেই পারেন কলকাতাতে।