আলোচনার সময়ই হঠাৎ ট্রাম্পের উদ্দেশে কু-কথা বলেন ওই মহিলা। এটা শুনে ওই সাংবাদিকও হেসে ফেলেন কারণ স্বাভাবিকভাবেই তিনি হিন্দি বোঝেন।

ক্রিস্টিন ফেয়ার এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প
শেষ আপডেট: 27 August 2025 11:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুল্কনীতি (Tariif) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বিদেশে তো বটেই, দেশের মধ্যেও সমালোচনায় বিদ্ধ হচ্ছেন। মার্কিন প্রশাসনের অন্দরেও অনেকে তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি নন। যদিও এতে ট্রাম্পের কিছু আসে-যায় না। কারণ, তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। আর মূলত এই কারণেই স্পষ্টত গালাগালি খেতে হচ্ছে তাঁকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর উদ্দেশে কু-মন্তব্য (Slang) করেছেন এক মার্কিন মহিলাই, তাও আবার হিন্দিতে (Hindi)!
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাংবাদিক (Pakistan Origin Journalist) মোঈদ পিরজাদা ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তান সম্পর্কিত আলোচনা করছিলেন অধ্যাপক ক্যারল ক্রিস্টিন ফেয়ারের (Christine Fair) সঙ্গে। সেই আলোচনার সময়ই হঠাৎ ট্রাম্পের উদ্দেশে কু-কথা বলেন ওই মহিলা। স্পষ্ট হিন্দিতে তাঁকে চু***য়া বলতে শোনা যায়। এটা শুনে ওই সাংবাদিকও হেসে ফেলেন কারণ স্বাভাবিকভাবেই তিনি হিন্দি বোঝেন। আর এই সাক্ষাৎকারের অংশ ভাইরাল হতেই চর্চার কেন্দ্রে ওই মার্কিন মহিলা।
কী ঘটেছিল সাক্ষাৎকারে
আলোচনায় মোঈদ পিরজাদা জানতে চান, ট্রাম্পের শুল্কনীতি আমেরিকাকে কি ভারত থেকে দূরে সরিয়ে দিল? জবাবে ফেয়ার জানান, আমেরিকার স্থায়ী প্রশাসন এখনও ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তাঁর দাবি, বছরের পর বছর ধরে আমেরিকার কূটনীতিক ও নীতিনির্ধারকরা নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার জন্য কাজ করেছেন। কিন্তু ট্রাম্প আমলে সেই প্রক্রিয়া ধাক্কা খাচ্ছে। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “আমি আশাবাদী পরিস্থিতির বদল হবে। কিন্তু হতাশ এই ভেবে যে আমাদের আরও চার বছর এই ‘চু**য়া’কে সহ্য করতে হবে।”
American Political scientist and best voice on Pakistani terrorist groups Christine Fair calls Donald Trump a “Chu****” during a live discussion with a Pakistani Journalist Moeed Pirzada. pic.twitter.com/0TvZhWYKaA
— Aditya Raj Kaul (@AdityaRajKaul) August 25, 2025
কে এই ক্রিস্টিন ফেয়ার
ওয়াশিংটনের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সিকিউরিটি স্টাডিজ প্রোগ্রামের অধ্যাপিকা ক্রিস্টিন ফেয়ার। একসময় তিনি র্যান্ড কর্পোরেশনের সিনিয়র পলিটিক্যাল সায়েন্টিস্ট ছিলেন। কাজ করেছেন জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশনে রাজনৈতিক আধিকারিক হিসেবেও। এছাড়া ইউএস ইনস্টিটিউট অফ পিস, ওয়েস্ট পয়েন্টের কমব্যাটিং টেররিজম সেন্টার এবং ভারতের আইডিএসএ-তেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাউথ এশিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজেস অ্যান্ড সিভিলাইজেশনে পিএইচডি এবং পাবলিক পলিসিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ফেয়ার। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র পাকিস্তানের সামরিক নীতি, জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা রাজনীতি।