Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মোদী ‘টেরিফিক ম্যান’, বলেছিলাম যুদ্ধ বন্ধ না করলে শুল্কের ঠ্যালায় মাথা ঘুরিয়ে দেব: ট্রাম্প

ভারতের সরকারি অবস্থান অবশ্য একেবারেই আলাদা। দিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়েছিল দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশন্স (DGMO)-র সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে। 

মোদী ‘টেরিফিক ম্যান’, বলেছিলাম যুদ্ধ বন্ধ না করলে শুল্কের ঠ্যালায় মাথা ঘুরিয়ে দেব: ট্রাম্প

ফাইল চিত্র

নিশান্ত চৌধুরী

শেষ আপডেট: 27 August 2025 09:44

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ফের দাবি করলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত প্রশমনে সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) তিনি চাপ দিয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেন, যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো তবে ওয়াশিংটন বাণিজ্য চুক্তি আটকে দিত এবং ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক এতটাই বাড়ানো হত যে 'মাথা ঘুরে যেত।'

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, 'আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। উনি একটা টেরিফিক লোক। আমি তাঁকে বললাম— তোমাদের আর পাকিস্তানের মধ্যে কী হচ্ছে? ঘৃণার মাত্রা ছিল ভয়াবহ।'

ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছিলাম— আমি তোমাদের সঙ্গে কোনও বাণিজ্য চুক্তি করতে চাই না। যদি তোমরা এভাবে চলতে থাকো, তাহলে পারমাণবিক যুদ্ধ লেগে যাবে। আমাকে কালকে ফোন করো, কিন্তু আমরা কোনও চুক্তি করব না। বরং তোমাদের উপর এমন শুল্ক চাপাবো যে মাথা ঘুরে যাবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ওই কথোপকথনের পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

ভারতের সরকারি অবস্থান অবশ্য একেবারেই আলাদা। দিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়েছিল দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশন্স (DGMO)-র সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে। কোনও বিদেশি শক্তির মধ্যস্থতা হয়নি বলেই ভারতের দাবি।

ঠিক এই সময়ই দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সংকটে পড়েছে। মার্কিন প্রশাসন ঘোষণা করেছে, ২৭ আগস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক বসবে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের খসড়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রুশ তেল আমদানি চালিয়ে যাওয়ায় ভারতকে শাস্তি দিতেই এই পদক্ষেপ।

এদিকে, মঙ্গলবার আমদাবাদে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদী স্পষ্ট জানান, ভারত কোনও বিদেশি চাপের কাছে মাথা নোয়াবে না। তিনি বলেন, “আমাদের কৃষক, পশুপালক ও ক্ষুদ্র শিল্পের স্বার্থই সবার আগে। চাপ আসতে পারে, কিন্তু ভারত তা সহ্য করবে। ভারতীয় পণ্যের উপরই আমাদের নির্ভর করতে হবে।”

বাণিজ্য ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারত-আমেরিকার ভার্চুয়াল ২+২ আলোচনা। প্রতিরক্ষা ও বিদেশ মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনায় উঠে এসেছে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ অনুসন্ধান, জ্বালানি সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়।


```