Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা হয় গ্রেফতার, নয় কৈফিয়ত! অমীমাংসিত পরোয়ানা নিয়ে কলকাতার থানাগুলোকে নির্দেশ লালবাজারের‘মমতা দুর্নীতিগ্রস্ত! বাংলায় শুধু সিন্ডিকেট চলে, কাজই বেকারের সংখ্যা বাড়ানো’, মালদহে রাহুল‘আমার মতো নয়’! সন্দেহের বশে ৬ বছরের ছেলেকে নদীতে ফেলে খুন, দেহ ভেসে উঠতেই ফাঁস বাবার কীর্তি

হাতে কয়েক ঘণ্টা, যুদ্ধ থামাতে ‘ভরসা’ ৪৫ দিনের বিরতি, ট্রাম্পের ডেডলাইনের চাপে আলোচনায় তেহরান!

বিশ্বে শান্তি ফেরাতে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির পথে আমেরিকা-ইরান? ট্রাম্পের ডেডলাইনের চাপে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা, বলছে সূত্র।

হাতে কয়েক ঘণ্টা, যুদ্ধ থামাতে ‘ভরসা’ ৪৫ দিনের বিরতি, ট্রাম্পের ডেডলাইনের চাপে আলোচনায় তেহরান!

ইরান-আমেরিকা

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 6 April 2026 09:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যুদ্ধের আশঙ্কা চরমে, আর সেই পরিস্থিতিতেই শেষ মুহূর্তের তৎপরতা—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States) ও ইরান (Iran)-এর মধ্যে চলছে গোপন ব্যাকচ্যানেল আলোচনা (Backchannel Talks)। লক্ষ্য একটাই, অন্তত অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি (Ceasefire) নিশ্চিত করা। কারণ, ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ইতিমধ্যেই কড়া ডেডলাইন (Deadline) বেঁধে দিয়েছেন, যা বাড়িয়ে এখন মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত করা হয়েছে। তার পরই কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে হোয়াইট হাউজ।

সূত্রের খবর, মধ্যস্থতাকারীরা (Mediators) একটি দুই-পর্যায়ের চুক্তি (Two-Phase Deal) তৈরির চেষ্টা করছেন। প্রথম ধাপে প্রস্তাব ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি, যার মধ্যে স্থায়ী শান্তিচুক্তি (Permanent Agreement) নিয়ে আলোচনা চলবে। আলোচনা এগোলে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে।

এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুটি বড় বিষয়—হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার (Highly Enriched Uranium Stockpile) বন্ধ করা। সূত্র বলছে, যুদ্ধবিরতির সময়সীমার মধ্যে ইরান কিছু সীমিত পদক্ষেপ করতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই দুটো ইস্যুই তেহরানের সবচেয়ে বড় দরকষাকষির হাতিয়ার (Bargaining Tool), তাই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ছাড়া পুরোপুরি ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

তবে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্বাসের ঘাটতি (Trust Deficit)। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা নিশ্চিত গ্যারান্টি (Guarantee) চায়—যাতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের সংঘাত শুরু না হয়। গাজা (Gaza) বা লেবাননের (Lebanon)-এর মতো পরিস্থিতি ফের ঘটুক, তা চায় না তেহরান।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতাকারীরা আমেরিকার উপরও চাপ বাড়াচ্ছে, যাতে তারা এমন পদক্ষেপ (Confidence-Building Measures) করে যাতে বিশ্বাস তৈরি হয়।

পরিস্থিতির গুরুত্ব এতটাই, যে ব্যর্থ হলে বড়সড় হামলার আশঙ্কা রয়েছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের পরিকাঠামোতে (Infrastructure) হামলা হলে তার পাল্টা জবাব থাকবেই। আর তার প্রভাব পড়তে পারে গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলে (Gulf Region)—বিশেষ করে জ্বালানি (Energy) ও জল (Water) সংক্রান্ত স্থাপনাগুলিতে। এতে বড় আঞ্চলিক সংকট (Regional Crisis) তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

আর ইতিমধ্যেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই (Esmaeil Baghaei) স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানে হামলা হলে সমান জবাব (Retaliation) দেওয়া হবে। বলেন, 'প্রয়োজনে আমেরিকা-সংযুক্ত লক্ষ্যবস্তুকেও (US-linked Targets) নিশানা করা হতে পারে।'


```