২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বেথের মৃত্যু হয়। তুরস্ক স্বাস্থ্য দফতর থেকে জানানো হয়েছে, মাল্টি অরগ্যান ফেলিওরের জেরে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছিল বেথের।

মৃত তরুণী
শেষ আপডেট: 26 May 2025 13:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামীর সঙ্গে তুরস্ক (Turkey) ঘুরতে গেছিলেন বেথ। কিন্তু সেখানে পৌঁছেই তিনি অসুস্থ বোধ করেন। বিদেশ ভ্রমণের মজা এক লহমায় বিষাদে পরিণত হয় কারণ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান! কীভাবে বেথের মৃত্যু হল তা বুঝতেই তাঁর পরিবারের ঘুম উড়েছে। এদিকে আরও একটি বিষয় জানতে পেরে কার্যত দিশেহারা অবস্থা তাঁদের। অটোপসিতে (Autopsy) ধরা পড়েছে, বেথের হৃৎপিণ্ডই 'মিসিং' (Heart Missing)।
ইংল্যান্ডের পোর্সমাউথের বাসিন্দা ছিলেন বেথ এবং তাঁর স্বামী লিউক মার্টিন। তাঁদের দুই সন্তানও রয়েছে। সম্প্রতি পরিবার নিয়ে তুরস্ক গেছিলেন তাঁরা। তবে সেখানে নামার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই অসুস্থ বোধ করেন বেথ। প্রথমে ভেবেছিলেন খাবার থেকে পেটের সমস্যা হয়েছে। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর শরীর আরও খারাপ হতে শুরু করে। অগত্যা বেথকে ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বেথের মৃত্যু হয়। তুরস্ক স্বাস্থ্য দফতর থেকে জানানো হয়েছে, মাল্টি অরগ্যান ফেলিওরের জেরে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছিল বেথের। তাই মৃত্যু। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি এমন অবস্থা তাঁর কীভাবে হল, সেটা কারও মাথায় আসছে না। কারণ মৃত্যুর সঠিক কারণ বলাই হয়নি। এদিকে সব নিয়ম মেনে যখন বেথের মৃতদেহ তাঁর বাড়ি ব্রিটেনে পাঠানো হয়, তখন পরিবারের লোকেরা বুঝতে পারেন বেথের হৃৎপিণ্ড নেই! তা কেউ বের করে নিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এই ঘটনায়।
বেথের পরিবারের দাবি, অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে থাকাকালীন বেথকে খুন করা হয়েছে। তারপর তাঁর হৃৎপিণ্ড খুলে নেওয়া হয়েছে। পাচারকারীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করছেন তাঁরা। ওদিকে, ইস্তানবুলের যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বেথ, তাঁদের সাফ কথা, বেথের কোনও অপারেশন হয়নি! তাহলে হার্ট কীভাবে গায়েব হল, সেই উত্তর মিলছে না।
এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে বেথের পরিবারের ওপর। তাঁদের ধারণা, ইস্তানবুলের ওই হাসাপাতাল কোনও তথ্য না জেনেই বেথকে পেনিসিলিন দিয়েছিল। অ্যালার্জির কারণে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু জানা গেছে, ব্রিটেন থেকে ফ্লাইটে ওঠার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বেথ। সেই অসুস্থতার কী কারণ তা জানতেই তদন্ত শুরু হয়েছে।