Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

চিনকে নয়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, শর্ত না মানলে শুল্ক বেড়ে হবে ১৫৫ শতাংশ

বর্তমানে চিনা পণ্যের ওপর আমেরিকা ৫৫ শতাংশ শুল্ক আদায় করে থাকে। ‌ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা এই খাতে চিনের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করছে। কিন্তু এখানেই তাঁরা থামতে চান না। ১ নভেম্বরের মধ্যে চিন বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে আরও একশ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ‌

চিনকে নয়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, শর্ত না মানলে শুল্ক বেড়ে হবে ১৫৫ শতাংশ

নিশান্ত চৌধুরী

শেষ আপডেট: 21 October 2025 13:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিনকে ফের করা হুঁশিয়ারি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, শর্ত না মানলে চিনা পণ্যের উপর ১৫৫ শতাংশ শুলকোচ চাপাবেন।

চলতি মাসের শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে চিনের প্রেসিডেন্ট শি‌ জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত রয়েছে। সেই বৈঠকের আগে চিনের ওপর লাগাতার চাপ বাড়িয়ে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।বর্তমানে চিনা পণ্যের ওপর আমেরিকা ৫৫ শতাংশ শুল্ক আদায় করে থাকে। ‌ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা এই খাতে চিনের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করছে। কিন্তু এখানেই তাঁরা থামতে চান না। ১ নভেম্বরের মধ্যে চিন বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে আরও একশ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ‌

সেই চুক্তির অন্যতম শর্ত হলো চিনকে আমেরিকার চাহিদা মতো বিরল খনিজ সরবরাহ করতে হবে। বেইজিংয়ের কর্তারা ইতিমধ্যে এই ব্যাপারে কঠোর মনোভাব নিয়েছেন। তারা মিত্র দেশগুলিকে পর্যন্ত বলে দিয়েছে আমেরিকাকে এই ব্যাপারে কোনওরকম সহায়তা করা যাবে না। চিনের এই অবস্থানে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে পাকিস্তান। চলতি পরিস্থিতি  নিয়ে লেজেগোবরে অবস্থা দেশটির।‌ ইসলামাবাদের পক্ষে চিনকে চটানো মুশকিল।‌ আবার আমেরিকার সঙ্গেও বন্ধুত্ব গভীর করতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী শাহবাগ শরীফ। ‌ট্রাম্প ফের বলেছেন দীর্ঘদিন আমেরিকা নিজের ক্ষতি করে অন্য দেশের উপকার করেছে। এখন উল্টোটা হবে। ‌আমেরিকা আর অভ্যন্তরীণ ব্যবসা বিদেশিদের হাতে ছেড়ে রাখবে না। আমেরিকায় ব্যবসা করতে হলে চড়া হারেই শুল্ক দিতে হ


```