ওয়াশিংটন একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরানকে (Tehran)। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।
.jpeg.webp)
ইরান-ইজরায়েল সংঘাত (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 25 March 2026 07:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরব দুনিয়ার যুদ্ধ (Middle East Tension) চতুর্থ সপ্তাহে পা রাখতেই নরম সুরে কথা বলতে শুরু করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! টানা প্রায় একমাস ধরে আমেরিকা-ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধ (Iran Israel US War) চলার পর এবার তিনি জানালেন, ওয়াশিংটন একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরানকে (Tehran)। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।
আন্তর্জাতিক একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব (Trump's 15 points peace plan) পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে পাঠিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইজরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, এই প্রস্তাবে একটি মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির কথাও বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনায় বসবে।
প্রস্তাবে কী রয়েছে?
প্রস্তাব অনুযায়ী,
এর বদলে,
ট্রাম্প আলোচনার কথা বললেও, একই সঙ্গে আরেকটি খবর উঠে এসেছে যে মার্কিন সেনাবাহিনীর এলিট ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের ৩ হাজার সেনা পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানোর কথা ভাবছে হোয়াইট হাউস। অর্থাৎ, আলোচনা ও সামরিক প্রস্তুতি- দুই পথই খোলা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
“ইরান আমাদের বড় উপহার দিয়েছে”- ট্রাম্প
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে একটি খুব বড় উপহার” দিয়েছে। তিনি এটিকে বিশাল পুরস্কার বলে উল্লেখ করেন এবং ইঙ্গিত দেন যে এটি তেল-গ্যাস সংশ্লিষ্ট কিছু হতে পারে। যদিও বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, উপ-রাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স ও বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ইরানের সঙ্গে আলোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ট্রাম্পের মতে, তেহরান এখন সমঝোতার ব্যাপারে আগ্রহী।
আরব দুনিয়ায় যুদ্ধের চিত্র
সংঘাতের ২৬তম দিনে ইরান ও ইজরায়েল একে অপরের উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইজরায়েলের একাধিক শহরে ইরানের হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান অভিযোগ করেছে, নেতানিয়াহুর বাহিনী বুশেহরে তাদের একটি পারমাণবিক ঘাঁটিতে দ্বিতীয় দফায় আঘাত হেনেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। হরমুজ বন্ধ থাকায় জ্বালানি সঙ্কট বাড়ছে, ফলে সব দেশই এখন এই অস্থির পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান চায়।